বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্র আন্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০০ জনকে আসামী করে মামলা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৪১ Time View
বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ৪ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিরাসারে হওয়া সংঘর্ষের ঘটনায়    ৯৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো এক থেকে দু’শ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আসামী হিসেবে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীর নাম রয়েছে।  রবিবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. ফরহাদ রায়হান ভূইয়া মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে বাদী বিরাসার এলাকার মো. সোলেমান বুধবার মামলাটি আদালতে দেন। সংঘর্ষে সোলমানের আপন চাচাতো ভাই একই এলাকার বাসিন্দা রাশেদ মিয়া আহত হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামীরা হলেন, বড় গোষ্ঠির বাবুল মিয়া, কাসেম মিয়া, নাটাই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাদ্দাম মিয়া, ছাত্রলীগ কর্মী জুবায়ের ও বিপ্লব, শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মঞ্জুর মাওলানা ওরফে ফারানি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাসুম বিল্লাহ, শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন লিটন, শহর ছাত্রলীগের সভাপতি নাবিল, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মিকাইল হোসেন ওরফে হিমেল, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মহসিন মোল্লা। বাকিরা শহরতলীর বিরাসার ও খৈয়াসার এলাকার বাসিন্দা।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, আহত সোলমান কোটা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পতনের এক দফা দাবির আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ও কর্মসূচী অনুযায়ি বিক্ষুদ্ধ ছাত্র জনতা গত ৪ আগস্ট বেলা ১১টা থেকে ১২টার দিকে শহরতলীর বিরাসার এলাকায় শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে জড়ো হন। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সন্ত্রাসীরা ককটেল, বোমা, পিস্তল ও দা নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তারা কালো একটি ব্যাগ থেকে ছাত্র জনতাকে উদ্দেশ্য করে মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ করে। বোমার আঘাতে ছাত্র জনতা ও জনসাধারণের জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ছাত্র জনতার শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে ছত্র ভঙ্গ করার চেষ্টা করে তারা। এক পর্যায়ে তারা কোমর থেকে পিস্তল বের করে ছাত্র জনতার শান্তিপূর্ণ মিছিলে এলোপাথাড়ি গুলি করে।

ছাত্রলীগ কর্মী সাদ্দাম পিস্তল দিয়ে গুলি করলে বাম বগলের নিচে লাগলে সোলমান আহত হন। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পেট্রোল দিয়ে ২০টি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দেয়। এতে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। তারা ত্রাসের রাজত্ব কওে বৈষম্যবিরোধী শান্তিপূর্ণ আন্দোলনটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।  এ সময় স্থানীয়রা সোলমানসহ অন্যান্য আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার সোলমানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সোলেমান এখনো সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।  

 

কিউএনবি/অনিমা/১৮ অগাস্ট ২০২৪,/রাত ৮:৪৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit