ডেস্ক নিউজ : সম্রাট আওরঙ্গজেব কর্তৃক জয়গির লাভ করে বলিহার জমিদার পরিবার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নৃসিংহ চক্রবর্তী। বলিহার জমিদারগণ তাঁদের জমিদারী বিভিন্ন স্থানে নানা স্থাপনা গড়ে তোলেন যার মধ্যে বলিহার রাজ বাড়ি অন্যতম।
দেশ বিভাগের সময়কালে বলিহারের রাজা ছিলেন বিমলেন্দু রায়। জমিদারগণের মধ্যে জমিদার রাজেন্দ্রনাথ ১৮২৩ খ্রীষ্টাব্দে বলিহারে একটি রাজ-রাজেশ্বরী দেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মন্দিরে রাজেশ্বরী দেবীর অপরুপা পিতলের মূর্তি স্থাপন করেন। বলিহারের ৯ চাকার রথ প্রসিদ্ধ ছিল। বলিহারের রাজাদের মধ্যে অনেকেই উচ্চ শিক্ষিত ছিলেন। রাজা কৃষ্ণেন্দ্র নাথ রায় বাহাদুর একজন লেখক ছিলেন। তাঁর লেখা গ্রন্থগুলির মধ্যে কৃষ্ণেন্দ্র গ্রন্থাবলী ১ম ও ২য় খণ্ড অন্যতম।
বর্তমানে রাজবাড়ির স্থাপনা যা এখনও টিকে রয়েছে। এরমধ্যে রাজবাড়ির সামনে প্রকাণ্ড তোরণ, ভেতরের কাম্পাউন্ডে প্রচীন নাট মন্দির, রাজরাজেশ্বরী মন্দির, জোড়া শিব মন্দির আর বিশাল তিনতলা বিশিষ্ট প্রাসাদ। নওগাঁর সদর উপজেলার বলিহার ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বলিহার রাজবাড়ি সংরক্ষনের জন্য প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের সকল প্রক্রিয়া শেষ করে অবশেষে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসাবে ঘোষণা করেছে।
ইতোমধ্যে এক সপ্তাহ আগে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর এ সংক্রান্ত সাইবোর্ড টানিয়েছে। গত ২৪ মার্চ ২০২২ তারিখে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে। এরপর ২৫ আগস্ট ২০২২ সালে বাংলাদেশ গেজেট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এই প্রত্নতত্ত্ব স্থাপনাটি গেজেটে প্রকাশ করে।
কিউএনবি/আয়শা/২০ মার্চ ২০২৪,/সকাল ১০:৫৫