স্পোর্টস ডেস্ক : এ নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ টানা চার টেস্টেই জয়ের দেখা পেলো বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে লাল বলের ক্রিকেটে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি ও ৮৭ রান করেছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। তবে দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাট হাতে খুব একটা ভালো করতে না পারলেও অধিনায়ক হিসেবে নিজের কাজটা ঠিকভাবেই করেছেন এই বাঁহাতি।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক ছুঁয়েছেন অধিনায়ক শান্ত। মাত্র ১৮ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি দলকে এনে দিয়েছেন ৮টি জয়, যা এখন দেশের কোনো টেস্ট অধিনায়কের সর্বোচ্চ। এর মাধ্যমে পেছনে ফেলেছেন মুশফিকুর রহিমকে, যিনি ৩৪ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে পেয়েছিলেন ৭টি জয়।
শান্তর অধিনায়কত্বে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয় আসে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। সিলেটে নিউজিল্যান্ডকে ১৫০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল টাইগাররা। এরপর ২০২৪ সালে আসে আরও স্মরণীয় সাফল্য। প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জিতে ইতিহাস গড়ে টাইগাররা। রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচে যথাক্রমে ১০ উইকেট ও ৬ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নিয়ে স্বাগতিক পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ।
গত বছরের এপ্রিলে চট্টগ্রাম টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারায় টাইগাররা। এরপর নভেম্বরে সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ইনিংস ও ৪৭ রানে জয় পায় টাইগাররা। আর মিরপুরে ২১৭ রানের বড় জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়কদের তালিকায় শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের পরেই আছেন সাকিব আল হাসান। তার নেতৃত্বে ১৯ টেস্টে বাংলাদেশ জিতেছে ৪ ম্যাচ। এরপর রয়েছেন মুমিনুল হক, তার অধিনায়কত্বে ১৭ টেস্টে আসে ৩ জয়। এছাড়া হাবিবুল বাশার, লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মাশরাফি ও মেহেদী হাসান মিরাজও অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশকে জয় এনে দিয়েছেন।
কিউএনবি/আয়শা/ ২০ মে ২০২৬,/বিকাল ৫:১৪