২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৭০৭ কোটি ৪৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৬০৩ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে এসেছিল ১ হাজার ৫২৯ কোটি ৮২ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৮৫৯ কোটি ৮২ লাখ মার্কিন ডলার। আর ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৪৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে গত মার্চ মাসে দেশে এসেছে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর আগে গত বছরের মার্চে দেশে এসেছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা এতদিন ছিল দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে আসা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।
সদ্যবিদায়ী মার্চে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৪ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২৬৪ কোটি ৫০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ২০ হাজার ডলার।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।