নামাজের ভিতর এমন কিছু দোয়া আছে যেগুলোও আল্লাহর কাছে আমাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। আজ আমরা নামাজে রুকু থেকে উঠে যে দোয়া পাঠ করতে হবে, সে সম্পর্কে আলোচনা করবো।
رَبَّنَاَلَكَ الْحَمْدُ
উচ্চারণ: রাব্বানা- ওয়া লাকাল হামদ্
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্যই সকল প্রশংসা
অতপর তিনি বলতেন- اَللّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْد- উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হামদ। (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত)
অর্থাৎ হে আল্লাহ! যাবতীয় প্রশংসা তোমারই।
এরপর বলতেন, رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ، حَمْداً كَثيراً طَيِّباً مُبارَكاً فِيهِ উচ্চারণ : রব্বানা ওয়া লাকাল হামদু, হামদান কাছিরান ত্বায়্যিবান মুবা-রাকান ফিহি।
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আর আপনার জন্যই সমস্ত প্রশংসা; অঢেল, পবিত্র ও বরকত-রয়েছে-এমন প্রশংসা। (বুখারি)
হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন হজরত রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন ইমাম এ জন্য বানানো হয়েছে যেন তার ইক্তিদা করা হয়, ইমাম যখন সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ বলে তখন তোমরা ‘রাব্বানা লাকাল হামদ’ বলবে। সূত্র: বুখারিফ ১/১৭৯ (৭৩৪)
হজরত আবূ বকর ইবনে আবদুর রহমান ইবনে হারিস (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি হজরত আবু হুরাইরাহ (রা.) কে বলতে শুনেছেন যে, হযরত রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাজ শুরু করতেন তখন তাকবির বলতেন, এরপর রুকুতে যাওয়ার সময় তাকবির বলতেন, এরপর রুকু থেকে উঠার সময় তিনি ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলতেন। এরপর পূর্ণ সোজাভাবে দাঁড়িয়ে ‘রাব্বনা লাকাল হামদ’ বলতেন। সূত্র: বুখারি শরিফ ১/১৯০ (৭৮৯) মুসলিম শরিফ হাদিস (৩৯২) বাইহাকি ২/১২৭ (২৭৬৮)