সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাটিরাঙ্গায় পাহাড় কাটার অপরাধে এক ব্যক্তিকে  ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। মাটিরাঙ্গায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ। ফুলবাড়ীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন ফুলবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের অবহিত করণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত॥ শরীয়তপুরে ফ্যামিলি কার্ড সংগ্রহ সংক্রান্ত প্রেস কনফারেন্স তুরস্কে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ মাটিরাঙ্গায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহবিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স নরসিংদীতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ সন্ত্রাসী সাখু গ্রেপ্তার তুরস্কের ক্লাবে ইতিহাস গড়লেন সালাহ প্রেমের মাঠেও লাল কার্ড দেখলেন ভিনিসিয়ুস! ৩ মাসেই শেষ ‘সেকেন্ড ইনিংস’

দীন প্রচারে যেভাবে জুলুমের শিকার হন নবীজি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৭৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : নবুওয়াতের চতুর্থ বছরে যখন প্রথমবার সর্বসাধারণের কাছে ইসলামের দাওয়াত পেশ করা হলো, তখন মুশরিকগণ তা প্রতিহত করার কৌশল হিসেবে বহু পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এ কৌশল কার্যকর করার ব্যাপারে তারা ধীরে চলার নীতি অবলম্বন করে অল্প অল্প করে অগ্রসর হতে থাকেন। এভাবে এক মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তারা কোনো প্রকার অন্যায়-অত্যাচার আরম্ভ করেননি।

কিন্তু তারা যখন এটা বুঝতে পারলেন যে, তাদের ওই কৌশল ও ব্যবস্থাপনা ইসলামি আন্দোলনের ব্যাপ্তি লাভের পথে তেমন কার্যকর হচ্ছে না, তখন তারা সকলে পুনরায় এক আলোচনাচক্রে মিলিত হন এবং মুসলমানদের শাস্তি প্রদান ও তাদেরকে ইসলাম থেকে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রত্যেক গোত্রপতি তার গোত্রের ইসলাম গ্রহণকারীদের শাস্তি প্রদান করা শুরু করে দিল। অধিকন্তু ইমান আনয়নকারী দাস-দাসীদের উপর তারা অতিরিক্ত কাজের বোঝা চাপিয়ে দিল।
 
স্বাভাবিকভাবেই আরবের নেতা ও গোত্রপতিদের অধীনে অনেক ইতর ও নিম্নশ্রেণির লোকজন থাকত। এসব লোকেদের তারা তাদের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করত। এদের মধ্যে যারা মুসলমান হতো তাদের উপর তারা চড়াও হতো। বিশেষ করে তাদের মধ্যে যারা দরিদ্র তাদের উপর অত্যাচারের স্টিমরোলার চালাত। তারা তাদের শরীর থেকে চামড়া ছিলে ফেলাসহ এমন সব পাশবিক আচরণ করত যা পাষাণ হৃদয় ব্যক্তিটিও প্রত্যক্ষ করে অস্থির কিংবা বিচলিত না হয়ে পারত না।
 
আবু জাহল যখন কোনো সম্ভ্রান্ত বা শক্তিধর ব্যক্তির মুসলিম হওয়ার কথা শুনত তখন সে তাকে ন্যায়-অন্যায় বলে গালি-গালাজ করত, অপমান-অপদস্থ করত এবং ধন-সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি করবে বলে ভয় দেখাতো। জ্ঞাতি গোষ্ঠীর যদি কোনো দুর্বল ব্যক্তি মুসলিম হতো তাহলে তাকে সে অত্যন্ত নির্দয়ভাবে মারধর করত এবং মারধর করার জন্য অন্যদের প্ররোচিত করত। (ইবনু হিশাম, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২০)
 
খেজুর পাতার চাটাইয়ে জড়িয়ে রেখে নীচ থেকে আগুন লাগিয়ে ধোঁয়ার তাপ দিতেন আগেকার মানুষ। উসমান বিন আফফান রা.-এর চাচা তাকে খেজুর পাতার চাটাইয়ের মধ্যে জড়িয়ে রেখে নীচ থেকে আগুন লাগিয়ে ধোঁয়া দিত। (রাহমাতুল্লিল আলামিন, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৭৫)
 
মুসআব বিন উমায়ের রা.-এর মা যখন তার ইসলাম গ্রহণের খবর পেল তখন সে তার আহারাদি বন্ধ করে দিল। তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল। প্রথম জীবনে তিনি আরাম-আয়েশ ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে লালিতপালিত হয়েছিলেন। কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পর তিনি এতই কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন যে, সাপের গর্ত থেকে খুলে পড়া খোলসের মতো তার শরীরের চামড়া খুলে খুলে পড়ত। (রাহমাতুল্লিল আলামিন, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৫৮)

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit