মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সেনা পাঠাবে না যুক্তরাজ্য ইরানের বিদ্যুৎ স্থাপনা-খার্গ দ্বীপ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংসে ট্রাম্পের হুমকি সংসদে হাসনাত ভুল স্বীকারের পর যা বললেন সালাহউদ্দিন সম্প্রচার চুক্তি বাতিল, বাংলাদেশে দেখা যাবে না আইপিএল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবীতে দুর্গাপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ আটোয়ারীতে মাসিক সমন্বয় সভা ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণ খুন, গ্রেপ্তার ৮ নতুন ছবির ঘোষণা সালমানের, মুক্তি ঈদে ইরান কেন হরমুজের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব চাচ্ছে, শুধুই কি রাজস্ব নাকি অন্য কিছু ঢাবির চারুকলা অনুষদে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু

স্ত্রীকে মা বলে ডাকলে কী হয়?

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪
  • ৭৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : বিবিকে মা বলে ডাকলে কোনো সমস্যা নেই। তবে এভাবে ডাকা মোটেও উচিত নয়। কারণ, মায়ের মর্যাদা এক রকম। আর বিবির মর্যাদা আরেক রকম। তাই বিবিকে মা বলে ডাকা মাকরুহ। তবে যদি এই কথা বলে তালাক দেয়া উদ্দেশ্য থাকে অর্থাৎ এ কথা বুঝাতে চায় যে, আমার মা যেমন আমার জন্য হারাম, তুমিও আমার জন্য হারাম, তাহলে তালাক হয়ে যাবে। (রদ্দুল মুহতার ৩-৪৭০)

স্ত্রীকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করলে কী হয়?

স্ত্রীকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করা ইসলামে নিষেধ। এ ধরনের অপ্রীতিকর কথার জন্য কঠিন শাস্তির বিধান দেয়া হয়েছে। নিজের স্ত্রীকে স্থায়ী হারাম (যেমন মা) নারীর অঙ্গের সঙ্গে তুলনা করাকে জিহার বলে। এই জিহার প্রথা পরিত্যাগ করে বলা হয় যে যারা এটা করবেন, তাদের এ জন্য কাফফারা দিতে হবে।

একবার আউস ইবনে সামেত (রা.) ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীকে বলেছিলেন, ‘তুমি আমার জন্য আমার মায়ের পিঠের মতো।’ অর্থাৎ স্ত্রীকে তিনি মায়ের মতো হারাম করেছেন। তখন নবী করিম (সা.) বললেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কাছে এখনো কোনো বিধান অবতীর্ণ হয়নি। আমি কী বলব?’ এর কিছুক্ষণ পরই কিছু আয়াত অবতীর্ণ হয়ে প্রাক্‌-ইসলামি জিহার প্রথাকে রদ করে দিল। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বহাল রইল।

স্ত্রীকে মা বলে ফেললে স্বামীর করণীয় কী?

সুরা মুজাদালাহর প্রথম আয়াতে আল্লাহ তাআলা নবীজিকে উদ্দেশ্য করে বলেন- قَدۡ سَمِعَ اللّٰهُ قَوۡلَ الَّتِیۡ تُجَادِلُکَ فِیۡ زَوۡجِهَا وَ تَشۡتَکِیۡۤ اِلَی اللّٰهِ ٭ۖ وَ اللّٰهُ یَسۡمَعُ تَحَاوُرَکُمَا ؕ اِنَّ اللّٰهَ سَمِیۡعٌۢ بَصِیۡرٌ

আল্লাহ তার কথা শুনেছেন যে নারী (খাওলাহ বিনত সালাবাহ) তার স্বামীর বিষয়ে তোমার সাথে বাদানুবাদ করছে আর আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাচ্ছে, আল্লাহ তোমাদের দুজনের কথা শুনছেন, আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (সুরা মুজাদালাহ: আয়াত ১)
অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, 

তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীগণকে মা বলে ফেলে, তাদের স্ত্রীগণ তাদের মা নয়। তাদের মা কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে। তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল। (সুরা মুজাদালাহ : আয়াত ২)

ইসলামপূর্ব সময়ে জিহারকে তালাকের একটি ধরন বলে গণ্য করা হতো। জিহার করলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চিরতরে শেষ হয়ে যেত। সাহাবি আউস ইবনে সামেত (রা.)-এর স্ত্রী খাওলা (রা.)-এর আর্তিকে কেন্দ্র করে শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাধান দিয়ে সুরা মুজাদালার শুরুর আয়াতগুলো নাজিল হয়।

 

কিউএনবি/আয়শা/১৪ জুলাই ২০২৪,/বিকাল ৫:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit