রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‎লালমনিরহাটে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি জবরদখল ও লুটপাটের অভিযোগ গোসল করতে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু নওগাঁর আত্রাই উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি উত্তাল, সম্পাদক বাবু নরসিংদীতে হাসপাতাল সিলগালা ও জরিমানা এখন নিজেকে অনেকটা বাঘিনীর মতো মনে হয়: কিয়ারা শারীরিক সম্পর্কের বিনিময়ে নারী এমপিদের মন্ত্রিত্ব দেওয়ার অভিযোগ মোদির বিরুদ্ধে ‘চোখের বদলে চোখ’ নয়, আরও কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ইসলামাবাদে ‘কূটনৈতিক আলোচনায়’ বসবেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরের নেতারা শয়ন কক্ষে মদের আস্তানা, ৩৯ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ৩ জীবনে বিয়ের বাইরে আরও অনেক কিছু আছে: কৃতি শ্যানন

নবীজির অপছন্দের ৩ খাবার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৩৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : কিছু খাবার, যেগুলো নবীজি পছন্দ করতেন না। কেননা নবীজি সা. খাবার গ্রহণে অত্যন্ত সংযমী ছিলেন। তার সংযম তিনি উম্মতকেও শিক্ষা দিয়ে গেছেন। নবীজি সা. বলেছেন, نحن قومٌ لا نأكُلُ حتى نَجُوعَ ، وإذا أكلنَا فلا نَشْبَعَ ‘আমরা তো এমন জাতি, ক্ষুধা না পেলে খাই না, আর যখন খাই, পেটপুরে খাই না।’  (মিনহাজুল মুসলিম ১৬৪, আবু বকর আল জাযায়েরি)

নবীজি সা. আরো বলেছেন, মুমিন এক অন্ত্রণালীতে খাবার খায়। আর কাফের খায় সাত অন্ত্রণালীতে। (তিরমিজি) খাবার গ্রহণে নবীজির সা. চমৎকার নীতি ছিল। আধুনিককালে স্বাস্থ্যবিজ্ঞান সেটিকে স্বাস্থ্যসম্মত বলে স্বীকার করেছে। 

হাদিসের ভাষায় মূলনীতিটা এভাবে এসেছে, ‘মানুষের ভরা পেটের চেয়ে খারাপ পাত্র আর নেই। আদম সন্তানের মেরুদণ্ড সোজা রাখার জন্য কয়েকটি লোকমাই তো যথেষ্ট; সুতরাং সে যদি তাতে তুষ্ট না হতে পারে, তাহলে ‘পেটের এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানির জন্য এবং অপর এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ঠিক করে নেবে।’ (তিরমিজি) অর্থাৎ ভরপেট না খেয়ে কিছু কমিয়ে খাওয়ার কথা নবীজি সা. বলেছেন এবং এটাকে মূলনীতি হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। এতে পাকস্থলীর জন্য হজমপ্রক্রিয়া খুবই সহজ হয়ে যায়।
 

যে খাবার খেতেন না বিশ্বনবি

১. কাঁচা রসুন ও কাঁচা পেঁয়াজ

হযরত জাবের রা. থেকে বর্ণিত যে, নবীজি সা. বলেন, যে (কাঁচা) রসুন, পেঁয়াজ খেয়ে যেন কেউ আমাদের মসজিদের নিকটবর্তীও না হয়। কেননা মানুষ যেসব দুর্গন্ধের কারণে কষ্ট পায়, ফেরেশতারাও তাতে কষ্ট পায়। (বুখারি ও মুসলিম) তবে রান্নাকরা গন্ধহীন পেঁয়াজ রসুন খেতে কোন সমস্যা নেই।

 
অর্থাৎ মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী কোন বস্তু খেয়ে লোক সমাজে বিশেষত মসজিদে যাওয়াকে নবীজি সা. খুবই অপছন্দ করতেন।
 

২. দব্বের গোশত (গুইসাপের মতো দেখতে প্রাণী বিশেষ)

যখন খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. নবীজিকে দব্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসুলাল্লাহ দব্ব খাওয়া কি হারাম? নবীজি বললেন, না। কিন্তু এটা যেহেতু আমাদের অঞ্চলে নাই তাই আমার অপছন্দ লাগে। (হানাফি মাযহাব মতে দব্ব খাওয়া জায়েয নয়।)

৩. অতিরিক্ত গরম খাবার
যে খাদ্য থেকে ধোঁয়া বের হয়, এরূপ খাবার তৎক্ষণাৎ খেতেন না প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অতিরিক্ত গরম খাবার ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করতেন।

 
হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গরম খাবার খেতেন না। তিনি বলতেন, গরম খাদ্য বরকতহীন। নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা আমাদের আগুন খাওয়াননি। (বাইহাকি) যেসব খাবার হালাল হওয়া সত্ত্বেও নিজের বা অন্যের জন্য কষ্টকর বা ক্ষতিকর হয় তা খাওয়া থেকে নবীজি সা. বিরত থাকতেন। উম্মতকেও এসব খাবার খেতে নিষেধ করেছেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৬ নভেম্বর ২০২৩,/বিকাল ৩:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit