শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রকাশিত সংবাদকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে খালিয়াজুরী কলেজের অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদের প্রতিবাদ বিশ্বকাপে ফিফার বড় অঙ্কের লভ্যাংশ থেকে ভাগ পাচ্ছে বাংলাদেশও চিলমারীতে ৪৪৮ কোটি টাকার তীর রক্ষা বাঁধে ১৫দিনে দু’দফা ধ্বস নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ.ন.ম এহছানুল হক মিলন  আবারও কলকাতায় আসছেন মেসি, বাংলাদেশে আসবেন? ‘এটাই মেসির শেষ বিশ্বকাপ কিনা আমি কীভাবে জানব’ ২০ জুলাই হচ্ছে না এসএসসির ফল প্রকাশ, সম্ভাব্য সময় জানাল বোর্ড ফাইনালের আগে রেফারিকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান স্পেন ডিফেন্ডারের ট্রাম্পের মাথার দাম ঘোষণা, পুরস্কার ১২৩ কোটি টাকা জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে শিশুর মৃত্যু

নবীজির অপছন্দের ৩ খাবার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৪৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : কিছু খাবার, যেগুলো নবীজি পছন্দ করতেন না। কেননা নবীজি সা. খাবার গ্রহণে অত্যন্ত সংযমী ছিলেন। তার সংযম তিনি উম্মতকেও শিক্ষা দিয়ে গেছেন। নবীজি সা. বলেছেন, نحن قومٌ لا نأكُلُ حتى نَجُوعَ ، وإذا أكلنَا فلا نَشْبَعَ ‘আমরা তো এমন জাতি, ক্ষুধা না পেলে খাই না, আর যখন খাই, পেটপুরে খাই না।’  (মিনহাজুল মুসলিম ১৬৪, আবু বকর আল জাযায়েরি)

নবীজি সা. আরো বলেছেন, মুমিন এক অন্ত্রণালীতে খাবার খায়। আর কাফের খায় সাত অন্ত্রণালীতে। (তিরমিজি) খাবার গ্রহণে নবীজির সা. চমৎকার নীতি ছিল। আধুনিককালে স্বাস্থ্যবিজ্ঞান সেটিকে স্বাস্থ্যসম্মত বলে স্বীকার করেছে। 

হাদিসের ভাষায় মূলনীতিটা এভাবে এসেছে, ‘মানুষের ভরা পেটের চেয়ে খারাপ পাত্র আর নেই। আদম সন্তানের মেরুদণ্ড সোজা রাখার জন্য কয়েকটি লোকমাই তো যথেষ্ট; সুতরাং সে যদি তাতে তুষ্ট না হতে পারে, তাহলে ‘পেটের এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানির জন্য এবং অপর এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ঠিক করে নেবে।’ (তিরমিজি) অর্থাৎ ভরপেট না খেয়ে কিছু কমিয়ে খাওয়ার কথা নবীজি সা. বলেছেন এবং এটাকে মূলনীতি হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। এতে পাকস্থলীর জন্য হজমপ্রক্রিয়া খুবই সহজ হয়ে যায়।
 

যে খাবার খেতেন না বিশ্বনবি

১. কাঁচা রসুন ও কাঁচা পেঁয়াজ

হযরত জাবের রা. থেকে বর্ণিত যে, নবীজি সা. বলেন, যে (কাঁচা) রসুন, পেঁয়াজ খেয়ে যেন কেউ আমাদের মসজিদের নিকটবর্তীও না হয়। কেননা মানুষ যেসব দুর্গন্ধের কারণে কষ্ট পায়, ফেরেশতারাও তাতে কষ্ট পায়। (বুখারি ও মুসলিম) তবে রান্নাকরা গন্ধহীন পেঁয়াজ রসুন খেতে কোন সমস্যা নেই।

 
অর্থাৎ মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী কোন বস্তু খেয়ে লোক সমাজে বিশেষত মসজিদে যাওয়াকে নবীজি সা. খুবই অপছন্দ করতেন।
 

২. দব্বের গোশত (গুইসাপের মতো দেখতে প্রাণী বিশেষ)

যখন খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. নবীজিকে দব্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসুলাল্লাহ দব্ব খাওয়া কি হারাম? নবীজি বললেন, না। কিন্তু এটা যেহেতু আমাদের অঞ্চলে নাই তাই আমার অপছন্দ লাগে। (হানাফি মাযহাব মতে দব্ব খাওয়া জায়েয নয়।)

৩. অতিরিক্ত গরম খাবার
যে খাদ্য থেকে ধোঁয়া বের হয়, এরূপ খাবার তৎক্ষণাৎ খেতেন না প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অতিরিক্ত গরম খাবার ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করতেন।

 
হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গরম খাবার খেতেন না। তিনি বলতেন, গরম খাদ্য বরকতহীন। নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা আমাদের আগুন খাওয়াননি। (বাইহাকি) যেসব খাবার হালাল হওয়া সত্ত্বেও নিজের বা অন্যের জন্য কষ্টকর বা ক্ষতিকর হয় তা খাওয়া থেকে নবীজি সা. বিরত থাকতেন। উম্মতকেও এসব খাবার খেতে নিষেধ করেছেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৬ নভেম্বর ২০২৩,/বিকাল ৩:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit