আন্তর্জাতিক ডেস্ক : লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ বলেছে, ইতোমধ্যে তারা গাজা যুদ্ধে জড়িয়ে গেছে এবং বিভিন্ন মহল থেকে চাপ দিলেও এখান থেকে বেরুনোর সুযোগ নেই। বরং দখলদারদের (ইসরাইল) আগে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। এ ছাড়া গাজা উপত্যকাকে ফিলিস্তিনিরা দখলদার সেনাদের জন্য কবরস্থানে পরিণত করবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান-সমর্থিত সংগঠনটি।
শেখ নাঈম বলেন, শত্রুরা আজ প্রতিরোধ অক্ষের সক্ষমতা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে। তিনি ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের ৭ অক্টোবরের ‘আল-আকসা তুফান’ (অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড) অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ওই অভিযান ছিল ‘ইসরাইল নামক কফিনে একটি পেরেক।’ইসরাইলকে সমর্থন করার জন্য পশ্চিমা বিশ্বের তীব্র নিন্দা জানান শেখ নাঈম কাসেম। বলেন, পাশ্চাত্য ফিলিস্তিনি জনগণের রক্তে নিজেদের হাত রঞ্জিত করেছে। এতদিন পশ্চিমারা দ্বি-রাষ্ট্রীয় যে সমাধানের কথা বলে এসেছে তা যে ভাওতাবাজি ছাড়া আর কিছু ছিল না তা এখন স্পষ্ট হয়েছে।
হিজবুল্লাহর উপমহাসচিব বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনি বেসামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের টার্গেট করে গাজা উপত্যকায় একটি পদ্ধতিগত গণহত্যা চালাচ্ছে। হিজবুল্লাহর এই সিনিয়র নেতা জানান, সংগঠনটিকে চলমান যুদ্ধে হস্তক্ষেপ না করার জন্য বহু পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে তিনি বলেন, আমরা এখন যুদ্ধের ঠিক মাঝখানে ঢুকে পড়েছি এবং এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আর সুযোগ নেই।
শেখ নাঈম বলেন, যারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে তাদেরকে আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, আগে দখলদার সেনাদেরকে আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে, তবেই এ যুদ্ধের বিস্তার রোধ করা যাবে।
কিউএনবি/আয়শা/২২ অক্টোবর ২০২৩,/বিকাল ৪:৫০