ডেস্ক নিউজ : ইবাদতের পূর্ণতার জন্য দুটি বিষয় প্রয়োজন। ইবাদতটি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পালন করা এবং শরিয়তের নির্দেশনা মোতাবেক বিধি-বিধান অনুযায়ী সম্পাদন করা। এ উদ্দেশ্যে কোরবানির কিছু জরুরি মাসয়ালা উল্লেখ হলো—
কোরবানির গোশত দিয়ে খানা শুরু করা: ঈদুল আজহার দিন সর্বপ্রথম নিজ কোরবানির গোশত দিয়ে খানা শুরু করা সুন্নত। অর্থাৎ সকাল থেকে কিছু না খেয়ে প্রথমে কোরবানির গোশত খাওয়া সুন্নত। এই সুন্নত শুধু ১০ জিলহজের জন্য। ১১ বা ১২ তারিখের গোশত দিয়ে খানা শুরু করা সুন্নত নয়। আল বাহরুর রায়েক : ২/১৬৩
কোরবানির গোশত জমিয়ে রাখা: কোরবানির গোশত তিনদিনেরও অধিক সময় জমিয়ে রেখে খাওয়া জায়েজ। মুয়াত্তা মালেক : ১/৩১৮
কোরবানির গোশত বণ্টন: শরিকে কোরবানি করলে ওজন করে গোশত বণ্টন করতে হবে। অনুমান করে ভাগ করা জায়েজ নয়। আদ দুররুল মুখতার : ৬/৩১৭
কোরবানির গোশত বিধর্মীকে দেওয়া: কোরবানির গোশত হিন্দু ও অন্য ধর্মাবলম্বীকে দেওয়া জায়েজ। ইলাউস সুনান : ৭/২৮৩
জবাইকারীকে চামড়া ও গোশত দেওয়া: জবাইকারী, কসাই কিংবা কাজে সহযোগিতাকারীকে চামড়া, গোশত বা কোরবানির পশুর কোনো কিছু পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েজ নয়। অবশ্য পূর্ণ পারিশ্রমিক দেওয়ার পর পূর্বচুক্তি ছাড়া হাদিয়া হিসেবে গোশত বা তরকারি দেওয়া যাবে।
কিউএনবি/আয়শা/২৯ জুন ২০২৩,/বিকাল ৫:৫৫