ডেস্ক নিউজ : জাকাত ফরজ ও হজ ফরজের মধ্যে পার্থক্য হলো, জাকাত সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর এক বছর গত হলে ফরজ হয়। এর মধ্যে যদি বছর শেষ হওয়ার আগে সম্পূর্ণ সম্পদ ধ্বংস হয়ে যায় বা জাকাতের নির্ধারিত পরিমাণ থেকে কম হয়ে যায়, তাহলে জাকাত ওয়াজিব হবে না। তবে হ্যাঁ, যদি সম্পদ নিসাব (জাকাত ফরজ হওয়া পরিমাণ) পরিমাণ হয়ে বছর গত হয়, তখন জাকাত ওয়াজিব হবে। এভাবে যতকাল পর্যন্ত জাকাতের নিসাব পরিমাণ সম্পদ বহাল থাকবে, প্রতি বছর জাকাত আদায় করতে হবে।
পক্ষান্তরে হজ হওয়ার বিষয়ে বক্তব্য হলো, মক্কা শরিফে যাওয়া-আসা, থাকা-খাওয়া, কোরবানি ইত্যাদি যাবতীয় খরচ এবং বাড়ি ফেরা পর্যন্ত পরিবারের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করার ক্ষমতা কারও থাকলে তার ওপর হজ ফরজ হয়। এ পরিমাণ অর্থের মালিক যদি জীবনে একবারও হয়, এরপর তা কোনো কাজে ব্যয় হয় অথবা চুরি হয়ে যায়, তাহলেও হজের ফরজ তার ওপর বহাল থাকবে। এমনকি ভবিষ্যতে মৃত্যু পর্যন্তও যদি সে এই পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করতে সক্ষম না হয়, তাহলে হজের ফরজ তার জিম্মায় বহাল থাকবে। মৃত্যুর সময় অসিয়ত করে যাওয়া তার জন্য আবশ্যক হবে। যেন তার মৃত্যুর পর তার পরিত্যক্ত সম্পত্তি হতে শরিয়ত মোতাবেক বদলি হজ করানো হয়।
তাছাড়া হজ সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর জীবনে একবার ফরজ হয় আর জাকাত সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর প্রতি বছর ফরজ হয়।
কিউএনবি/অনিমা/১৯ জুন ২০২৩,/দুপুর ১:২১