মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পুলিশ, র‍্যাব ও পিবিআইতে বড় রদবদল সাইকেলের আশায় মুরগী বিক্রি, স্বপ্ন পূরণ হবে কী ক্ষুদে শিক্ষার্থী তামিমের? ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের আরও ১৮৪ জনকে নিয়োগ বিনা খরচে জাপানে চাকরির সুযোগ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের: মাহদী আমিন বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি কর্মকর্তাদের চেয়ারের পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন না করার নির্দেশ মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার মোটরসাইকেলের সাইলেন্সের বিকট শব্দ, কিশোরের ২০ হাজার টাকা জরিমানা ময়মনসিংহ রেঞ্জে দ্বিতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ ওসি দুর্গাপুর থানার শাকের আহমেদ জাতীয় পতাকার আদলে পোশাক বানিয়ে বিতর্কে উর্বশী

আইএমএফ’র কাছে বেলআউট সহায়তা চাওয়া হয়নি : মুখ্যসচিব

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২
  • ১৬২ Time View

ডেস্কনিউজঃ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ‘বেলআউট’ সহায়তার কোনো প্রস্তাব দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস।

তিনি বলেন, ‘বেলআইট সহায়তা চাওয়ার মতো কোন পরিস্থিতি বাংলাদেশে তৈরি হয়নি। আমাদের পাঁচ মাসেরও অধিক সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ আছে।’

তবে ব্যালেন্স অব পেমেন্ট ও বাজেট সহায়তা হিসেবে সংস্থাটির কাছে সহজ শর্তের ঋণ চাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিজ অফিসকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন

আহমদ কায়কাউস বলেন, ‘বেলআউট, এই শব্দ নিয়ে আমার চরম আপত্তি। বেলআউট চাওয়া হয়েছে এমন খবর কোনো কোনো গণমাধ্যম পরিবেশন করছে। বিষয়টা অত্যন্ত অনভিপ্রেত এবং আত্মসম্মানে লেগেছে।’

তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ভবিষ্যতে যদি ব্যালেন্স অব পেমেন্টের ঘাটতি বাড়ে, সেজন্য মূলত অর্থ মন্ত্রণালয় আলোচনা সাপেক্ষে সহায়তা চেয়েছে। এটি সহজ শর্তের ঋণ।

বাংলাদেশের ইতিহাসে একাধিকবার এ ধরনের ঋণ সহায়তা আইএমএফের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আরো বলেন, ‘করোনাকালীন বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা এবং আইএমএফ সবার কাছ থেকে বাজেট সহায়তা নেয়া হয়েছে। তখন কেউ সমালোচনা করেনি।’ তিনি বলেন, ‘করোনার সময় আইএমএফের কাছ থেকে ৭৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যালেন্স অব পেমেন্ট সহায়তা নেয়া হয়েছে- সেটার পরিশোধও শুরু হয়েছে। তাহলে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে আমরা এ ধরনের ঋণ সহায়তা নিলে সেটি তো খারাপ কিছু নয়। অপরাধও নয়। আমরা মাথা উঁচু করে এই ঋণ চাইতে পারি।’

আহমদ কায়কাউস বলেন, ‘আইএমএফের কাছ থেকে নিয়মিত চার ধরনের তহবিল সহায়তা পাওয়া যায়। আমাদের সাথে প্রতিবছর সেটি নিয়ে আলোচনা হয়। এবারো ব্যালেন্স অব পেমেন্ট ও বাজেট সহায়তার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় সেটি ব্যয় করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বাড়ায় এখন প্রকল্পনির্ভর ঋণের পরিবর্তে বাজেট সহায়তা ঋণ পাচ্ছি। এর মানে হচ্ছে আমাদের পছন্দ মোতাবেক এই টাকা ব্যয় করতে পারব। এটি আমাদের জন্য ভালো।’

ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে যাওয়ার আগেই ভাড়া দিতে হবে বলে কেউ কেউ খবর প্রকাশ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি সঠিক নয়। উৎপাদনে যাওয়ার আগে কোনো ভাড়া দেয়া লাগবে না। প্রত্যেকটা বিদ্যুৎকেন্দ্র যতক্ষণ পর্যন্ত উৎপাদনে আসবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কোনো ভাড়া দিব না।’

বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী এই ব্যবস্থা আছে। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৬৫ শতাংশ ব্যয় হয় জ্বালানিতে এবং ৩৫ শতাংশ ব্যয় হয় বিনিয়োগজনিত। দেশী-বিদেশী বিনিয়োগের জন্য ক্যাপাসিটি চার্জ রাখার দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, কোনো দেশের কাছ থেকে কম দামে জ্বালানি তেল কেনার সুযোগ থাকলে বাংলাদেশ সেই সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করবে।

এছাড়া, তিনি আরো জানান, জ্বালানি তেলনির্ভর অনেকগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেয়া হয় না।

সূত্র : বাসস

কিউএনবি/বিপুল/২৭.০৭.২০২২/রাত ৯.৫৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit