অন্যদিকে ইকুয়েডরের শুরুটা ছিল হতাশার। প্রথম ম্যাচে আইভরি কোস্টের কাছে হারের পর কুরাসাওয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে কঠিন অবস্থায় পড়ে দলটি। তবে শেষ ম্যাচে জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেরা তৃতীয় হওয়া দলগুলোর একটি হিসেবে নকআউটে উঠে আসে তারা।
মেক্সিকো শিবিরে বড় কোনো চোটের সমস্যা নেই। বিশ্রামের পর মূল একাদশে ফিরতে পারেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল হিমেনেস। রক্ষণভাগও অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যারা গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই প্রতিপক্ষকে গোল করতে দেয়নি।
ইকুয়েডরও পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই মাঠে নামতে পারবে। জার্মানির বিপক্ষে জয়সূচক গোল করা গনসালো প্লাতা এবং দলের অভিজ্ঞ অধিনায়ক এনের ভ্যালেন্সার দিকেই থাকবে বাড়তি নজর। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে ভ্যালেন্সার দরকার আর মাত্র একটি গোল।
দুই দলের অতীত পরিসংখ্যানে স্পষ্ট এগিয়ে মেক্সিকো। এখন পর্যন্ত ২৮ দেখায় তাদের জয় ১৭টিতে, ইকুয়েডর জিতেছে মাত্র ৪ বার, আর ৭টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপে এর আগে একবার মুখোমুখি হয়ে ২০০২ সালে ২-১ গোলে জিতেছিল মেক্সিকো।
কাগজে-কলমে এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে স্বাগতিক মেক্সিকো এগিয়ে থাকলেও, জার্মানিকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ইকুয়েডর যে আরেকটি চমক দেখাতে পারে, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।