জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি : খাগড়াছড়ির মাটিরাঙা ও দীঘিনালায় পৃথক ঘটনায় আঞ্চলিক পাহাড়ি সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসীত গ্রুপ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে মাটিরাঙায় নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ অভিযানে সংগঠনটির এক সদস্যকে একটি অত্যাধুনিক একে-৪৭ রাইফেলসহ আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৪জুন) সকাল ১০টার দিকে মাটিরাঙা উপজেলার তৈইকাথান এবং দীঘিনালা এলাকায় পৃথকভাবে এসব ঘটনা ঘটে।এর মধ্যে মাটিরাঙায় এক অভিযানে সংগঠনটির এক সদস্যকে একটি একে-৪৭ রাইফেলসহ আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীঘিনালা ও মাটিরাঙার তৈকাথান এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে পৃথক সংঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে ইউপিডিএফ (প্রসীত গ্রুপ)-এর দুই কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহতরা হলেন- ইউপিডিএফের সদস্য ববিন ত্রিপুরা ও সুজন চাকমা। এদিকে, ঘটনার পরপরই মাটিরাঙার তৈকাথান এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশেষ দল তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে ইউপিডিএফ-এর এক সশস্ত্র সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি সচল একে-৪৭ রাইফেল, ম্যাগাজিন এবং বেশ কিছু তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
মাটিরাঙা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো.সাহেদ উদ্দিন জানায়, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া, একে-৪৭-সহ আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দুপুর ১টার দিকে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োগড়া এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের মধ্যে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সুজন চাকমা নামে একজন নিহত হন। দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, দুটি সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে।
কিউএনবি/আয়শা/২৪ জুন ২০২৬,/রাত ১১:৫৫