ম্যাচের পরিসংখ্যান বলছে, প্রথমার্ধে জার্মানি ৭৮ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেও আক্রমণভাগে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। পুরো অর্ধে তারা চারটি শট নিলেও একটিও লক্ষ্যে ছিল না। অন্যদিকে, প্যারাগুয়ে শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই জুনিয়র আলোনসো জার্মান কিপার ন্যয়ারের দক্ষতার পরীক্ষা নেন। সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে প্যারাগুয়ে তিনটি শট নিয়ে দুটিতেই লক্ষ্যভেদ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, যার একটি থেকে এসেছে মূল্যবান গোলটি।
দ্বিতীয়ার্ধে জার্মানি তাদের খেলায় গতি বাড়ায় এবং আক্রমণের ধার বাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে। রক্ষণাত্মক কৌশলে থাকা প্যারাগুয়ে শেষ পর্যন্ত আর নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে পারেনি। গোল শোধের পর জার্মানি জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও প্যারাগুয়ের রক্ষণ দেয়াল ভাঙা সম্ভব হয়নি। ফলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে। এখন নকআউটের এই স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে অতিরিক্ত সময়ে কোন দল শেষ হাসি হাসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।