এই বিবাদের শুরু কয়েকদিন আগে। একটি সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, মেলোনি নাকি তার সাথে ছবি তোলার জন্য খুব অনুরোধ করেছিলেন। ট্রাম্প বলেন, ‘সে আমার সাথে ছবি তোলার জন্য খুব পাগল ছিল। আমি হয়তো ছবি তুলতাম না, কিন্তু তার জন্য আমার মায়া হচ্ছিল।’
ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, তিনি মেলোনির সাথে কথা বলতে বাধ্য ছিলেন না। তবুও তিনি কথা বলায় মেলোনি হয়তো খুব খুশি হয়েছেন।
ট্রাম্পের এমন কথায় দারুণ ক্ষুব্ধ হয়েছে ইতালি। ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি ট্রাম্পের এই কথাগুলোকে পুরো ইতালির জন্য ‘অপমানজনক’ বলেছেন। এর প্রতিবাদে তিনি ২১ ও ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রে তার নির্ধারিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সফর বাতিল করেছেন।
শুধু মেলোনিকে নিয়েই নয়, ওই সাক্ষাৎকারে ইউরোপ নিয়েও সমালোচনা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইউরোপের দেশগুলো জ্বালানি ও অভিবাসীদের বিষয়ে একদম ভুল করছে। এসব সমস্যার সমাধান না করলে ইউরোপ আর আগের মতো থাকবে না। অভিবাসন আর বাতাসের সাহায্যে চলা টারবাইনগুলোকে তিনি বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে ইউক্রেন প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তারা শুধু শান্তি চায়। আর ইউরোপীয় ইউনিয়নে তাদের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আমেরিকার কোনো হাত নেই।