ডেস্ক নিউজ : মেহেরপুর বড়বাজার সংলগ্ন কাঁচাবাজার আড়ত। প্রতিদিন এই আড়তে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার কাঁচামাল আমদানি হয়। এর বড় অংশজুড়ে এখন শীতকালীন সবজি। আড়তদাররা জানান, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ মেট্রিক টন সবজি আসছে বাজারে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সরজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই অন্যান্য সবজির পাশাপাশি শীতকালীন নানা সবজি নিয়ে আড়তে আসছেন কৃষকরা। তবে ফুলকপি, পাতাকপি, শিম, বরবটি, মুলাসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
এক সপ্তাহ আগে ফুলকপি বিক্রি হচ্ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, এখন তা ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাঁধাকপির দাম বেড়ে ৩৫ টাকা, শিম ৩০ থেকে বেড়ে ৩৫ টাকা, আর পালং শাকের দাম ৪০ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকায়। আর বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, মুলাশাক ১০-১২ টাকায়, মুলা ২০ থেকে ২৫ টাকায় ও শসা ২৫ থেকে ৩০ টাকায়।
লালশাক, মিষ্টিকুমড়া, লাউ, ওলকপি, ঢ্যাঁড়স, পেঁপেসহ বিভিন্ন সবজি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকায়। তবে টমেটো ও গাজরের দাম এখনো ক্রেতাদের নাগালের বাইরে-টমেটো কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও গাজর ১৫০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এসব দামের সঙ্গে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা আবারও সবজির দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে। বাজারে কঠোর মনিটরিং দরকার।
কৃষকরা জানান, টানা বৃষ্টিপাত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে শীতকালীন সবজি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন করে উৎপাদন শুরু না হওয়া পর্যন্ত বাজারে সরবরাহে ঘাটতি থাকছে, ফলে দাম বাড়ছে। তাদের দাবি, বর্তমান বাজারদর কমে গেলে উৎপাদন খরচ তুলতে হিমশিম খেতে হবে। অন্যদিকে, ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ প্রতিদিনই বাড়ছে। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে দাম সাময়িক বেড়েছে। তবে আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজার আবারও নিম্নমুখী হবে।
কিউএনবি/আয়শা/০৭ নভেম্বর ২০২৫,/সকাল ৯:০৮