স্পোর্টস ডেস্ক : ২৪ দলের এএফসি এশিয়ান কাপের আসর বসছে কাতারে। আগামী শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) স্বাগতিক কাতার বনাম লেবানন ম্যাচ দিয় মাঠে গড়াচ্ছে এবারের আসর। উদ্বোধনী খেলাটি অনুষ্ঠিত হবে আইকনিক লুসাইল স্টেডিয়ামে। যেখানে ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর ৮৯ হাজার দর্শকের সামনে বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছিলেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
প্রকৃতপক্ষে এশিয়ান কাপের এই আসর ২০২৩ সালে চীনে হওয়ার কথা ছিল। দেশটির মোট ১০টি ভেন্যুতে জুন-জুলাই মাসে হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড-১৯ মহামারি এবং দেশটির জিরো-কোভিড পলিসির কারণে তারা স্বত্ব ছেড়ে দেয়। এরপর ২০২২ সালের অক্টোবরে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) কাতারকে স্বাগতিক দেশ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৮৮ ও ২০১১ সালে দেশটি এশিয়ান কাপ আয়োজন করেছিল।
আগামী শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) লুসাইল স্টেডিয়ামে স্বাগতিক কাতার তাদের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী লেবাননের মুখোমুখি হবে। জানুয়ারির ২৫ তারিখ পর্যন্ত চলবে গ্রুপ পর্যায়ের খেলা। কিরঘিজস্তান বনাম ওমান এবং সৌদি আরব বনাম থাইল্যান্ডের ম্যাচ দুটি দিয়ে গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ হবে।
যে দলগুলো খেলছে এবারের আসরে: দীর্ঘ এক বছর ধরে হওয়া বাছাই পর্ব পেরিয়ে ২৩টি দল সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে এবারের আসরে। প্রকৃত স্বাগতিক দেশ হিসেবে চীনকে বাছাই পর্ব খেলতে হয়নি। গত আসরের চারটি দেশ এবারের আসরের বাছাই পর্ব পেরুতেই পারেনি।
গ্রুপ এ: কাতার, চীন, তাজিকিস্তান, লেবানন
গ্রুপ বি: অস্ট্রেলিয়া, উজবেকিস্তান, সিরিয়া, ইন্ডিয়া
গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিবে। এছাড়া গ্রুপ পর্বের সেরা চার তৃতীয় দলও শেষ ষোলোয় খেলার সুযোগ পাবে।
সফলভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করা কাতারের জন্য এশিয়া কাপ আয়োজন করা বেশ সহজ হয়ে গেছে। বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলো এশিয়া কাপেও ব্যবহার করতে পারছে দেশটি। এশিয়া কাপের নয়টি ভেন্যুর মধ্যে সাতটিই ফিফা বিশ্বকাপের। যে তালিকায় লুসাইল স্টেডিয়াম ছাড়াও আছে আহমাদ বিন আলি স্টেডিয়াম, আল বাঈত স্টেডিয়াম, আল জানুব স্টেডিয়াম, এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম, খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম এবং আল থুমামা স্টেডিয়ামের নাম।
এশিয়ান কাপের সফলতম দল জাপান। এখন পর্যন্ত চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। এছাড়া সৌদি আরব ও ইরান তিনবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বাকিদের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়াও দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। চ্যাম্পিয়নের তালিকায় নাম তুলেছে আরও পাঁচটি দল। ২০১৯ সালে সবশেষ আসরে সবাইকে অবাক করে কাতার চ্যাম্পিয়ন হয়।
এশিয়া কাপের সর্বোচ্চ আসরের চ্যাম্পিয়ন জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার আছে তারকাবহুল দল। শক্তিমত্তা বিচারে তারাই আসরের সবচেয়ে ফেবারিট দল। তবে মরু অঞ্চলের আবহাওয়া ও নিজেদের অঞ্চলে খেলা বলে সৌদি আরব ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কাতারকেও ফেলে দেওয়া যাচ্ছে না।
কিউএনবি/আয়শা/০৯ জানুয়ারী ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:০০