রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার বিচার শুরু ১ জুন হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে ভারত, আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিদের জন্য পশ্চিমবঙ্গে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ ঈদুল আজহার নামাজ যেখানে পড়বেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা ঈদকে ঘিরে বাগেরহাটে চুইঝালের চাহিদা আকাশচুম্বি, বেড়েছে দাম রামিসা হত্যা : সোহেল ও স্বপ্নার বিচার শুরু ১ জুন বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তির দিকে এগোচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ খুলতে রাজি ইরান: নিউইয়র্ক টাইমস রামিসা হত্যা: সোহেল-স্বপ্নাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিচ্ছে পুলিশ

‘অবৈধ’ বাংলাদেশিদের জন্য পশ্চিমবঙ্গে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ১৮ Time View

ডেস্কনিউজঃ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ক্ষমতায় বসেই ঘোষণা করেছিলেন, ‘অবৈধ’ বাংলাদেশি অভিবাসীদের সরাসরি তুলে দেয়া হবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর হাতে। এরপর বিএসএফ তাদের সংশ্লিষ্ট দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ করবে। শুভেন্দুর এই ঘোষণার পর রাজ্য সরকারের তরফেও নির্দেশিকা জারি কবা হয়েছে।

ধরো আর সীমান্তে পাঠাও নীতি থেকে সরে এসে এবার অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য পশ্চিমবঙ্গের প্রতি জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার (আটক শিবির) তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পরিচয় যাচাই, আইনি প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই কেন্দ্রগুলিতে তাদের রাখা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।

ওই সমস্ত ‘হোল্ডিং সেন্টার’-এ সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃতরা তো বটেই, যারা এর আগে ধরা পড়েছিলেন এবং বন্দি ছিলেন, যাদের দেশের বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাদেরও সেখানে রাখা যাবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

রাজ্যটির স্বরাষ্ট্র দফতরের নির্দেশে বলা হয়েছে, যাদের বৈধ নথিপত্র নেই বা যাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগ রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করার পর সরাসরি জেলে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। সেখানে নিরাপত্তা, নজরদারি এবং তথ্য যাচাইয়ের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে।
একই সঙ্গে অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস ও প্রশাসনিক সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হবে।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলির একাংশের দাবি, প্রকৃত শরণার্থী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আলাদা করে চিহ্নিত করা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে আটক করা হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠতে পারে।

এদিকে রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কড়া অবস্থানের পক্ষে সওয়াল করা হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশ এই সিদ্ধান্তের প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

কিউএনবি/বিপুল/২৪.০৫.২০২৬/রাত ১১.১১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit