শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাকিস্তানে পিপিপি নেতার বাড়িতে আত্মঘাতী হামলায় ১৭ জনের প্রাণহানি টাইফুন ‘বাভি’ ঘিরে চীন-তাইওয়ানে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জাপানেও প্রভাবের শঙ্কা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন নেতানিয়াহুর মেসিকে নতুন রূপে দেখছি, সে পুরো দলকে কাঁধে তুলে নিয়েছে: ইয়াসিন বুনু পিস্তল উপহার দিয়ে ন্যাটো নেতাদের বিপদে ফেললেন এরদোয়ান খামেনির শেষ জানাজায় ইমামতি করলেন ১০১ বছরের আয়াতুল্লাহ হামেদানি ২৪ ঘণ্টায় ১১ বিলিয়ন ব্যারেল তেল সরিয়ে নিল ইরান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পরও থমথমে হরমুজ প্রণালি খামেনির শেষ বিদায়ে ইরান-ইরাকে অংশ নেয় ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ: প্রেস টিভি মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

‘অবৈধ’ বাংলাদেশিদের জন্য পশ্চিমবঙ্গে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ৫০ Time View

ডেস্কনিউজঃ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ক্ষমতায় বসেই ঘোষণা করেছিলেন, ‘অবৈধ’ বাংলাদেশি অভিবাসীদের সরাসরি তুলে দেয়া হবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর হাতে। এরপর বিএসএফ তাদের সংশ্লিষ্ট দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ করবে। শুভেন্দুর এই ঘোষণার পর রাজ্য সরকারের তরফেও নির্দেশিকা জারি কবা হয়েছে।

ধরো আর সীমান্তে পাঠাও নীতি থেকে সরে এসে এবার অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য পশ্চিমবঙ্গের প্রতি জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার (আটক শিবির) তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পরিচয় যাচাই, আইনি প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই কেন্দ্রগুলিতে তাদের রাখা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।

ওই সমস্ত ‘হোল্ডিং সেন্টার’-এ সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃতরা তো বটেই, যারা এর আগে ধরা পড়েছিলেন এবং বন্দি ছিলেন, যাদের দেশের বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাদেরও সেখানে রাখা যাবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

রাজ্যটির স্বরাষ্ট্র দফতরের নির্দেশে বলা হয়েছে, যাদের বৈধ নথিপত্র নেই বা যাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগ রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করার পর সরাসরি জেলে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। সেখানে নিরাপত্তা, নজরদারি এবং তথ্য যাচাইয়ের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে।
একই সঙ্গে অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস ও প্রশাসনিক সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হবে।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলির একাংশের দাবি, প্রকৃত শরণার্থী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আলাদা করে চিহ্নিত করা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে আটক করা হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠতে পারে।

এদিকে রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কড়া অবস্থানের পক্ষে সওয়াল করা হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশ এই সিদ্ধান্তের প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

কিউএনবি/বিপুল/২৪.০৫.২০২৬/রাত ১১.১১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit