জীবন্মৃত কিংবা বিষাক্ত
বেঁচে থেকে মরে যাওয়ার গল্প
কতটা মানিয়ে যায়?
তাইতো লেখা হয়নি কখনও
জীবন্ত লাশের গল্প।
দম নিয়েও মরে থাকা যায়,
এসব কথা বললে তাকে
পাগল বলবে লোকে।
হাসছে সে, গাইছে সে,
মাতাচ্ছে উঠোন নৃত্যে, অথচ
বোঝার উপায় নেই কারোরই,
ক্ষয়ে যাচ্ছে দ্রুতই।
জীবন এর খাতা ভর্তি গল্পে
শুধু অপরের জন্য বাঁচার দৃশ্যগুলোই
লিখে রাখা।
সেধে সেধে দুঃখ আর দুঃখ সর্বস্ব মানুষগুলোকেই,
বেছে নিয়েছে প্রতিবার।
তাইতো,
দুঃখ তার সীমানা ছাড়েনি অসময়েও।
সুযোগসন্ধানীদের ভীড় রুখতে গিয়ে,
বেড়া ভেঙে,
সদলবলে ঢুকে গেছে হায়েনা।
বহু দিনের শক্ত বেষ্টনী ভাঙতে থাকে।
এরপরই শুরু হয়,
ভাঙনের অভ্যেস।
সেইসাথে বিষাক্ত ছোবল বার বার।
বিষ নিতে নিতে, হয়েছে বিষাক্ত।
যাকেই ছুঁতে যাচ্ছে,
নিজের অজান্তেই
সে আহ্বান করছে মৃত্যুকে।
যে সে মৃত্যু নয় –
অনন্তকাল বেঁচে থাকার যন্ত্রণার মত মৃত্যু।
বিষ নিয়ে তাই রচনা করেছে এক মহাকাব্য।
সেই মহাকাব্যের নায়ক সে নিজেই।
কিউএনবি/বিপুল/০৮.০৭.২০২৬/বিকাল ৫.৫০