স্পোর্টস ডেস্ক : ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফন গালের নেদারল্যান্ডস একপ্রকার নিষ্ক্রিয় করে রেখেছিল লিওনেল মেসিকে। শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচের ফল এসেছিল টাইব্রেকারে। তাই কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের লাইনআপ ঠিক হতেই কথার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে দুইদল।
লিওনেল মেসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নও ছুঁড়ে দিয়েছিলেন ডাচ কোচ লুই ফন গাল। তাই উত্তাপে-উত্তেজনায় ম্যাচ রূপ নিয়েছিল যুদ্ধে। যার প্রমাণ মেলে রেফারির দেখানো কার্ড সংখ্যায়। মোট ১৮টি কার্ড দেখিয়েছিলেন সে ম্যাচে রেফারি। এমনকি শান্তশিষ্ট মেসিও সেদিন মেজাজ হারান। রুদ্রমূর্তি ধারণ করা মেসি গোল করে ডাচ ডাগআউটের সামনে গিয়ে কানের কাছে দুহাত নিয়ে গোল উদযাপন করেন। আলোচিত-সমালোচিত সে উদযাপন পরে ট্রেডমার্কে পরিণত হয়।

কথাটা মেসির গায়ে লেগে গিয়েছিল। প্রতিজ্ঞা করেছিলেন ডাচদের গুড়িয়ে দেওয়ার। তবে গোল পেলেও এবারও নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়ের খেলায় ডাচদের হারাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে এমি মার্টিনেজের বীরত্বে জয় পায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু সে দ্বৈরথ শেষ হয়নি এখনও। মেসিদের বিরুদ্ধে ফের নতুন অভিযোগ তুলেছেন ফন গাল।
ডাচ সংবাদমাধ্যম ‘এনওএস স্পোর্টস’কে এক সাক্ষাৎকারে ফন গাল বলেন, ‘আমি এটা নিয়ে মুখ খুলতে চাই না। আপনি শুধু দেখুন আর্জেন্টিনা কীভাবে গোলগুলো করেছে আর আমাদের কীভাবে গোলগুলো করতে হয়েছে (তাহলেই বুঝতে পারবেন)।তাদের কয়েকজন খেলোয়াড় সীমা লঙ্ঘন করেছিল এবং তাদের কোনো শাস্তিও দেওয়া হয়নি। যার কারণে আমার মনে হয় ম্যাচটা পুরোপুরিভাবে তাদের জেতাতেই পূর্বপরিকল্পিত। আমি যা বলতে চাচ্ছি, মেসিকে কি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করতেই হতো? আমার মনে হয় উত্তরটা হচ্ছে, ‘হ্যাঁ’।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:০০