আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এ ঘটনায় সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিক্রম আথওয়াল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত রোববার (২ সেপ্টেম্বর) থেকে রুপালের পরিবার এবং বন্ধুরা তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে পুলিশকে অবগত করেন। এরপর পুলিশ তার বাসার দরজা ভেঙে সুইমিং পুল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত বিক্রম আথওয়াল নামের ৪০ বছর বয়সী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছেন। মৃত রুপালের হাউজিং সোসাইটির ঝাড়ুদারের কাজ করে বিক্রম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খুনের কথা স্বীকার করেছে সে। খুনির ভাষ্যমতে, রুপাল তার সাথে উচ্চস্বরে কথা বললে রেগে গিয়ে তার গলায় ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে বিক্রম ।
তবে পুলিশ ধারণা করছে , রুপালকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে বিক্রম। কিন্তু রুপাল তাকে বাধা দিলে তখন সে তাকে হত্যা করে। এমনকি খুনির ঘাড়ে এবং গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পেলে এই খুনের সব রহস্য ঘুচবে বলে আশা করছে পুলিশ।
বিল্ডিংয়ের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে ৪৫ জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনেন পুলিশ। এর মধ্যে বিক্রমকে প্রথম থেকেই সন্দেহের তালিকার শীর্ষে রাখা হয়। কেননা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় যে, বিক্রম কাজ করার পর তার ইউনিফর্ম পরিবর্তন করে ফেলেছে।
জিজ্ঞাসাবাদে বিক্রম জানায়, খুনের পর রক্তের দাগ মুছতে ইউনিফর্মটি ব্যবহার করেছে সে। গতকাল (সোমবার) স্বাভাবিক ভাবেই কাজ করতে এসেছিল বিক্রম। রুপাল ওগ্রে তার বোন এবং প্রেমিকের সঙ্গে মুম্বাইয়ের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা ছিলেন রুপাল। এয়ার ইন্ডিয়াতে চাকরি পাবার পর চলতি বছরের এপ্রিলে মুম্বাই চলে আসেন তিনি।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩,/বিকাল ৩:৩৩