সৌদি আরবের খ্যাতনামা জ্যোতির্বিদ আবদুল্লাহ আল-মোসনেদ জানিয়েছেন, ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজান শীতকালে শুরু হওয়ায় দিনের দৈর্ঘ্য স্বাভাবিকভাবেই কম থাকবে। সূর্যোদয় দেরিতে এবং সূর্যাস্ত তুলনামূলক দ্রুত হওয়ায় সিয়ামের সময়ও হ্রাস পাবে। এর ফলে আগের কয়েক বছরের তুলনায় রোজা রাখা অনেক সহজ ও আরামদায়ক হবে।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দশক ধরে রমজান মূলত গ্রীষ্মকালে পড়েছিল। তখন ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত রোজা রাখতে হয়েছে। সঙ্গে ছিল প্রচণ্ড গরম ও খরতাপ। এতে করে অনেকের জন্য রোজা পালন শারীরিকভাবে কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য বিষয়টি ছিল বেশ কঠিন। কিন্তু ২০২৬ সালে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কম সময়ের রোজা এবং শীতল আবহাওয়া মুসল্লিদের ইবাদতে মনোযোগ বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে। ক্লান্তি কম থাকায় নামাজে খুশু বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে তারাবি, তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুললাইল আদায়ে স্বস্তি অনুভূত হবে। মসজিদগুলোতেও মুসল্লিদের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
চাঁদের হিসাবে প্রতি বছর রমজান প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ প্রায় ত্রিশ বছর পর আবারও শীত মৌসুমে রমজান ফিরে এসেছে। এটি সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানদের জন্য এক বিশেষ আনন্দের বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।