বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন

জায়নামাজ বিছিয়ে রাখলে কি শয়তান কিছু করে?

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০২৪
  • ১২৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : নামাজে জায়নামাজ বিছানো বাধ্যতামূলক কোনো কাজ নয়। নামাজের স্থানে ধুলোবালি বা ময়লা থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য এর ব্যবহার রয়েছে। জায়নামাজে নামাজ পড়লে সওয়াব বেশি হবে এমনটিও নয়।

নামাজের স্থান পবিত্র থাকা নামাজের অন্যতম ফরজ। সে মোতাবেক জায়নামাজও পবিত্র থাকতে হয়। এটির আকার এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে মুসল্লিরা স্বচ্ছন্দে নামাজ আদায় করতে পারেন।
 
জায়নামাজ এক বা একাধিক ব্যক্তির উপযোগী করে তৈরি করা হয়। একাধিক ব্যক্তির ব্যবহার উপযোগী জায়নামাজ সাধারণত মসজিদ, ঈদগাহ কিংবা বড় আকারের জামাতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে এক ব্যক্তির ব্যবহার উপযোগী জায়নামাজ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহৃত হয়।
 
অনেকের ধারণা, নামাজ পড়ার পর জায়নামাজ বিছিয়ে রাখতে নেই। নামাজের পর জায়নামাজ বিছিয়ে রাখলে শয়তান এসে তাতে নামাজ পড়ে নেয়। এটি একটি ভুল ধারণা। তবে হ্যাঁ, নামাজ পড়া হয়ে গেলে জায়নামাজ বিছিয়ে না রাখাই ভালো। কারণ, জায়নামাজ পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র রাখা জরুরি। বিছিয়ে রাখলে তার ওপর দিয়ে চলাফেরা হবে; ফলে তা ময়লা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিংবা তাতে নাপাক লাগতে পারে।
 
এটা ছোট বা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের জায়নামাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু বড় কিংবা মসজিদে বিছানো বড় জায়নামাজের ক্ষেত্রে পুরো মসজিদকে হেফাজত করতে হবে। বারবার তো আর পুরো জায়নামাজ উঠানো যাবে না। তবে কোনোভাবেই এমন ধারণা করা যাবে না যে, জায়নামাজ খালি বিছিয়ে রাখলে তাতে শয়তান এসে নামাজ আদায় করে নেয়।
 
অনেকে কিতাব বা কোরআন শরিফের বিষয়েও এমন ধারণা পোষণ করে থাকেন যে, তা খুলে রাখলে শয়তান এসে পড়ে নেয়। এমন ধারণা একেবারেই ভ্রান্ত ও ভুল। তবে কোরআন তেলাওয়াত বা গ্রন্থ পড়ার পর প্রয়োজন ছাড়া খুলে না রাখাই ভালো।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১২ জুলাই ২০২৪,/রাত ১০:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit