এয়ারলাইনসভিত্তিক তথ্য বলছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ২৯ হাজার ২৯৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে আরও ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। বাকি হাজিদেরও পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত ফ্লাইটে দেশে ফেরানো হবে।
এদিকে চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান। তবে হজের গুরুত্বপূর্ণ স্থান মিনা ও মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়েছে, সৌদি আরবে অবস্থানকালে ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এছাড়া সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ৯৬৩ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। মক্কা ও মদিনায় স্থাপিত আইটি হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ৩৬০ জন হাজিকে তথ্য ও বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়েছে।
চলতি বছরের হজযাত্রী পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে। ২১ মে শেষ হয় প্রাক-হজ ফ্লাইট। এ বছরের পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। হজ শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এবার বাংলাদেশের জন্য মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনের সুযোগ পেয়েছেন।