শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন

দুর্গাপূজা শিশু ধ্রুব ও নির্জনের কাঁচা হাতে শৈল্পিক ছোঁয়া

বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৩৯৬ Time View
বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : যেমন শ্রম তেমন মেধাও খাটিয়েছে তারা। শিশু ধ্রুব ও নির্জনের শৈল্পিক ছোঁয়ায় দুর্গা মায়ের যেন ভিন্নরূপ, ব্যতিক্রমতা। খেলার ছলে বানানো হলেও এতে বাদ পড়েনি পুলিশি টহল ব্যবস্থা। নিরাপত্তার স্বার্থে জরুরি প্রয়োজনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে একটি হ্যালিপ্যাডও।১১দিনের টানা পরিশ্রম। একাধিক দিন কাজ করতে করতে কখন যে ভোরের সূর্য আকাশে উঁকি দিলো সেদিকেও খেয়াল নেই। প্রতিমার পরিপূর্ণতা তারা দিয়েছে ষষ্ঠী পূজার আগেই। শাস্ত্রীয় নিয়মানুসারে ষষ্ঠীতে দিনের বেলায় মায়ের হাতে অসুরবধের অস্ত্র বসানো হয়। রাতে সারা হয় আলোকসজ্জার কাজ। সপ্তমীতে তারা মহাব্যস্ত পূজার আনুষাঙ্গিকতা নিয়ে। মন্ডপের সামনেই দেখা যায় ছোট্ট একটি সাউন্ড বক্স। যেটাকে খুব কম শব্দে ধর্মীয় গান বাজানো হবে। মানা হবে সরকারি নির্দেশনা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর এলাকার সড়ক বাজারে নিজেদের বাড়িতে ধ্রুব বনিক ও নির্জন বনিকের পূজা মন্ডপ। বিগত কয়েক বছর কাগজ দিয়ে ছোট করে মায়ের প্রতিমা ও মন্ডপ তৈরি করলেও এবার পরিধি বেড়েছে। নির্জনদের ঘরজুড়ে প্রতিমা। দুর্গা প্রতিমার উচ্চতা ছয়ফুটের মতো। বাকিগুলো চারফুট করে। ককসিট ও কাগজের সমন্বয়ে এ সব প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে।
ধ্রুব বনিক আখাউড়ার বাংলাদেশ রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ও নির্জন বনিক একই বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। সম্পর্কে তারা কাকাতো-জেঠাতো ভাই। তাদের জেঠাতো বোন স্কুল শিক্ষক প্রভাতী বনিক তাদেরকে এ কাজে সহায়তা করেছে।শনিবার দুপুরে কথা হয় ধ্রুব ও নির্জনের সঙ্গে। তারা জানায়, কয়েক বছর ধরেই তারা খেলার ছলে দুর্গা প্রতিমা বানায়। এবার প্রতিমার আকার বেশ বড়। আগে শুধু কাগজে করা হলেও এবার ককসিট দিয়ে প্রতিমা বানানো হয়েছে। পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে তারা এক কাজ করে। তবে রাতের সময়টা তারা বেশি লাগিয়েছে। একাধিক দিন কাজ করতে করতে ভোর হয়ে যায়। বড় বোন প্রভাতী বনিক তাদেরকে এ কাজে বেশ সহায়তা করে।প্রভাতী বনিক জানায়, ধ্রুব ও নির্জন প্রথমে কাগজ কেটে দুর্গা মায়ের মাথা তৈরি করে। মাথার সঙ্গে মিলিয়ে শরীর করতে গিয়ে প্রতিমা বড় হয়ে যায়। যে কারণে তাদেরকে বেশ শ্রম দিতে হয়েছে। তারা বেশ মেধা খাটিয়েছে এ কাজটি করতে। নির্জনের মা ফাল্গুনি বনিক বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরেই তারা কাগজ কেটে দুর্গা মায়ের প্রতিমা বানায়। তবে এবার খুবই ভিন্ন হয়েছে প্রতিমাটি। দেখতে খুবই ভালো লাগছে।’ শিশুদের এ কাজকে উৎসাহ দিতে তিনি সবাইকে প্রতিমা দেখার আমন্ত্রণ জানান।  

কিউএনবি/অনিমা/২২.১০.২০২৩/সকাল ১১:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit