ডেস্ক নিউজ : রোববার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে এবং পরে গোপীবাগ রামকৃষ্ণ মিশন পূজামণ্ডপে ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। এদিকে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা স্থাপন ও অঞ্জলির মাধ্যমে মন্দিরে মন্দিরে চলছে দেবীর আরাধনা।
দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা এসেছেন মর্ত্যলোকে। তাই বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মেতেছেন উৎসবের আমেজে। শনিবার (২১ অক্টোবর) মহাসপ্তমীর সকালে নবপত্রিকা স্নান করিয়ে আনা হয় মণ্ডপে। এই নবপত্রিকাকে প্রচলিত কথায় বলা হয় কলাবউ। লাল পাড় সাদা শাড়ি পরিয়ে বাংলার বধূরূপ দিয়ে দেবীর ডানপাশে স্থাপন করা হয়। এর মাধ্যমে শুরু হয় সপ্তমীর পূজা। করা হয় ত্রিনয়নী দেবী দুর্গার চক্ষুদান।
পূজা শেষে অঞ্জলির মাধ্যমে দেবীর কাছে নিজেকে সমর্পণ, তাই দুর্গার আরাধনায় ভক্তরা মণ্ডপে ছুটে এসেছেন।তারা বলছেন, মহাসপ্তমীর সকালে অঞ্জলি দিলাম। মায়ের কাছে চাই সবাই যেন সুস্থ থাকে, আনন্দে পূজা কাটানো যায়। ভক্তদের কষ্ট দূর করতে এ বছর দেবী দুর্গা এসেছেন ঘোড়ায় চড়ে। আর বিজয়া দশমীর দিনে একই বাহনে মর্ত্যলোক ছেড়ে যাবেন। রোববার ২২ অক্টোবর অষ্টমী, ২৩ অক্টোবর নবমী এবং ২৪ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবের।
ঢাকাসহ সারা দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, র্যাব ও বিডিআর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকেশ্বরী মন্দির মেলাঙ্গনে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কিউএনবি/আয়শা/২১ অক্টোবর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:১২