শহিদ আহমেদ খান সাবের,সিলেট প্রতিনিধি : বিয়ানীবাজার আলিনগর ইউনিয়ন চন্দরপুর গ্রামের বাসিন্দা ময়না মিয়া। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর, তার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পরে তিনি মারিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। ময়না মিয়ার প্রতিবেশী মাহেবুল আজাদ লিটন পাশাপাশি বাড়ি হওয়াতে প্রায় ময়না মিয়ার স্ত্রী মারিয়াকে বিরক্ত করতো । লিটন চলতি বছরের ১ মে রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টায় ময়না মিয়া কাজে বাহিরে থাকায় তার স্ত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতন করে লিটন ও তার সহযোগীরা, পরবর্তীতে ময়না মিয়া বাড়িতে এসে তার স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভর্তি করে চিকিৎসা শেষে আদালতে মারিয়া বেগম বাদি হয়ে ৮মে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদীর পরিবারের লোকজন জানান, মামলা করার পর থেকে উল্টো বিভিন্ন ভাবে লিটন ও তার সহযোগীরা হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতে থাকেন বলে অভিযোগ উঠে। বাদীকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে মামলার বাদি মামলা তুলতে অপারগতা প্রকাশ করলে গত ১৪ আগষ্ট সকাল সাড়ে ৮টায় মাহেবুল আজাদ লিটন, জাহেদুল আজাদ জুয়েল, মিলন,রুনা, রুকাইয়া বেগম দেশিও অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে ময়না মিয়ার ছেলে রিদয় আহমদ ও জয় আহমদের উপর তাদের বাড়ির রাস্থায় আক্রমণ করে।
হামলায় ময়না মিয়ার মেয়ে পলি বেগম ভাইদের চিৎকার শুনে তাদের রক্ষা করতে গেলে তাকেও তারা প্রানে মারার উদ্দেশ্য মারধর করে তার পা ভেঙে দেয় ও জয় রিদয়কে বেধড়ক পিঠিয়ে অচেতন করে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়। তখন স্থানীয় মানুষ তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পলি বেগমকে ভর্তি করান এবং রিদয় ও জয় কে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পলি বেগম বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালের ২৯ নং ওয়ার্ডের ১২ নং বেডে চিকিৎসাধীন। এ ব্যাপারে আহতের পরিবার প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
কিউএনবি/আয়শা/১৬ অগাস্ট ২০২৩,/রাত ১০:২৫