শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করতে চান শেখ হাসিনা: রাজনীতিতে এক চালবাজি ঘোষণা মাত্র রাত ১টার মধ্যে ১৭ জেলায় অতিভারী বৃষ্টির আভাস খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের চট্টগ্রামের বন্যা উন্নতির পূর্বাভাস, সিলেট-রংপুরে শঙ্কা চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ খামেনির জানাজা-দাফন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন ৪ কোটিরও বেশি মানুষ ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশন এলাকায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান পাকিস্তানে পিপিপি নেতার বাড়িতে আত্মঘাতী হামলায় ১৭ জনের প্রাণহানি

কোরবানির পশু কেনার আগে যা জানা জরুরি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩
  • ৯১ Time View

ডেস্ক নিউজ : কোরবানি সম্পর্কে হজরত মিখজাফ ইবনে সালিম (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহকে (সা.) আরাফার ময়দানে দাঁড়িয়ে সমবেত লোকদেরকে সম্বোধন করে একথা বলতে শুনেছি, ‘হে লোক সকল! তোমরা জেনে রাখ, প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তির প্রতি বছরই কোরবানি করা কর্তব্য। আর যার সামর্থ্য নেই তাদের ওপর কোরবানি কর্তব্য নয়। কারণ আল্লাহ কারও ওপর এমন কোনো কাজের দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না, যা তার সাধ্যের বাইরে।’ (তিরমিজি)

রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিবছরই কোরবানি করেছেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনার ১০ বছর জীবনের প্রতিবছরই কোরবানি করেছেন।’ (তিরমিজি: ১৫০৭) কোরবানির সঙ্গে জড়িয়ে আছে হজরত ইবরাহীম (আ.)-এর স্মৃতি। হজরত ইবরাহীম (আ.) ত্যাগের পরীক্ষার চূড়ান্ত পর্বে নিজের সন্তানের গলায় ধারালো খঞ্জর চালিয়েছিলেন। তার এ আত্মত্যাগ আল্লাহর কাছে এতই প্রিয় হয়ে উঠেছিল যে, কেয়ামত পর্যন্ত সব সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর সেই ইব্রাহীম (আ.)-এর স্মৃতির অনুশীলনে কোরবানি করা ওয়াজিব।

একবার সাহাবায়ে-কেরাম (রা.) জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! কোরবানির তাৎপর্য কী?

রাসুল (সা.) বললেন, কোরবানি করা এটা তোমাদের ধর্মীয় পিতা হজরত ইবরাহীম (আ.)-এর সুন্নত।

সাহাবায়ে-কেরাম আবার জিজ্ঞাসা করলেন, এতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে?


কোরবানি না করার ক্ষতি
সামর্থ্য থাকার পরও কেউ যদি এই মহৎ ইবাদত পালন না করে, তাকে হাদিসে নিন্দা করা হয়েছে।

হাদিস শরিফে এসেছে, ‘যার কোরবানির সামর্থ্য রয়েছে, কিন্তু কোরবানি করে না— সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদিস: ৩৫১৯; আত্তারগিব ওয়াত্তারহিব: ২/১৫৫)

কোরবানির পশু কেনার আগে খেয়াল রাখতে হবে

সাধারণত সুস্থ্, স্বাভাবিক, সবল পশু কোরবানি করার নিয়ম। কোরবানি দেয়ার জন্য পশু কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। চলুন জেনে নিই পশু কেনার আগে কোন বিষয়গুলি জানা জরুরি-

কোরবানি করার জন্য শরিয়তে কয়েক ধরনের পশু নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। গরু, মহিষ, উট, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দিয়ে কোরবানি করা জায়েজ। অন্য কোনো পশু দিয়ে কোরবানি করার বিধান নেই।

আর বয়সের ক্ষেত্রে ছাগল, ভেড়া, দুম্বা অন্তত এক বছর। গরু, মহিষ অন্তত দুই বছর ও উট অন্তত ৫ বছর হতে হবে। তবে ভেড়া ও দুম্বা যদি এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যে ছয় মাসেরটি দেখতে এক বছরের মতো লাগে, তাহলে সেটি দিয়ে কোরবানি হবে।

কোরবানির পশু কেনার আগে খেয়াল রাখতে হবে: দুর্বল পশু কেনা যাবে না, যার হাড়ের মজ্জা শুকিয়ে গেছে বা কোরবানির স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারবে না। এ রকম পশু দিয়ে কোরবানি জায়েজ হবে না। আর মোটাতাজা পশু দিয়ে কোরবানি করা মুস্তাহাব। কোনো পশুর একটি পা যদি এমনভাবে নষ্ট হয়ে যায় যে, চলার সময় সেটি দিয়ে কোনো সাহায্য নিতে পারে না, তবে ওই পশু দিয়ে কোরবানি হবে না।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১২ জুন ২০২৩,/বিকাল ৫:১৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit