বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

দশম গ্রেডে উন্নীত হচ্ছেন প্রাথমিকের ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষক

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫
  • ৭৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষকের বেতনস্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার প্রক্রিয়া সক্রিয়ভাবে বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গতকাল শনিবার অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

পত্রে বলা হয়েছে, রিট পিটিশন নম্বর-৩২১৪/২০১৮ এর বিপরীতে হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রিটকারী ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকের বেতনস্কেল ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ রায় বাস্তবায়নে সম্মতি দিয়েছে। অবশিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড বাস্তবায়নের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সমিতির সভাপতি মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘দশম গ্রেড বাস্তবায়নে সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ। এতে ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষকের দশম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার পথ সুগম হবে।’ তবে তিনি জানান, তাদের দাবি ছিল দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড বাস্তবায়ন এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতনস্কেল ১১তম গ্রেডে বাস্তবায়ন।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার ঘোষণা দেয়। পরে প্রশিক্ষিতদের জন্য ১১তম এবং অপ্রশিক্ষিতদের জন্য ১২তম গ্রেড নির্ধারণ করে। বিষয়টি বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক রিট করেন।

২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট এই রিটে রায় দেন এবং তাদের দশম গ্রেডে উন্নীত করতে নির্দেশ দেন। রিভিউ আবেদনসহ আপিল বিভাগে শুনানি শেষে রায় বহাল থাকে।

এদিকে, অধিদপ্তরের অফিস আদেশে বলা হয়, দশম গ্রেড বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তি চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়েছেন মর্মে তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং আর্থিক লেনদেনে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘সরকার যেহেতু বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে এবং কোনো অর্থনৈতিক জটিলতা নেই, তাই আমরা আশাবাদী। তবে একটি গ্রুপ চাঁদাবাজিতে যুক্ত হওয়ায় আমরা শিক্ষক সমাজকে সতর্ক করতে চিঠি জারি করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রস্তাবটি প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় হয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন মিললে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি হবে, তবে কিছু সময় লাগতে পারে।’

কিউএনবি/অনিমা/০৬ জুলাই ২০২৫,/রাত ৯:৪৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit