রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন

কয়লা খনির পানি প্রবাহের মূল ড্রেন ফটো করে কয়লার অ্যাশ বিক্রি করে অনেকে কোটি টাকার মালিক॥

মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি ।
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৩২ Time View

মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ভূগর্ভ থেকে কয়লার অ্যাশ বিক্রি করে অনেকে কোটি টাকার মালিক। গত ১যুগ ধরে এলাকার কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী কয়লা খনির ভূগর্ভ থেকে উঠে আসা পানি মূল ড্রেন দিয়ে বাহির হয়ে যায়। সেই ড্রেন সংলগ্ন জমির মালিকেরা ড্রেন ফুটো করে পানি নিজ জমিতে নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে ৬ মাস ও ৩ মাস পরপর কোটি টাকার কয়লার গাদ জমা হয়। সেই গাদ তুলে শুকিয়ে তাতে বালুমাটি ও ছাই মিশিয়ে কোটি টাকা হাতিয় নিচ্ছেন ঐ অসাধু ব্যবসায়ীরা। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির স্থাপিত হওয়ার পর ভূর্গভের পানি ভূপৃষ্ঠে তুলে আনার পর সেই পানির সাথে কয়লার কিছু অংশ পানিতে উঠে আসে। যার যার জমি সে খানে রয়েছে তারা ড্রেন ফুটো করে পানি নিয়ে যাচ্ছে ঐ জমিগুলোতে।

ড্রেন ফুটো করে পানি অবৈধ্য কয়লা ব্যবসায়ীরা তাদের জমিতে নিয়ে যাচ্ছে এ ব্যাপারে খনি কর্তৃপক্ষ কোন কথা কাউকে বলেনা। বছরে ঐ এলাকার গুটি কয়েক অসাধু ব্যবসায়ী এই কয়লা অ্যাশ বিক্রি করে কোটি পতি হয়েছেন। বর্তমানে চলমান রয়েছে তাদের কয়লার অ্যাশ বিক্রি। এদিকে খোজ নিয়ে জানা যায়, ড্রেন ফুটো করে পানি নিজ জমিগুলোতে নিয়ে যাওয়ায় খনি কর্তৃপক্ষ সেই ড্রেনের ফুটো এখনও বন্ধ করেন নি। যারা ড্রেন ফুটো করেছে তাদের বিরুদ্ধেও কোন ব্যবস্থ্য গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ। বর্তমান সেখানে কয়লা অ্যাশগুলি শুকিয়ে ধুলো করে বাতাসের সাথে মিশিয়ে এলাকায় পরিবেশ নষ্ট করছে। স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অবৈধ্য ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেও কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এলাকাবাসীর মনে।

এ ব্যাপারে কয়লাখনি এলাকার সচেতন কৃষক সামসুল আলম এর সাথে কথা বলের তিনি জানান, কয়লার পানির অ্যাশ যত দূরে যায় সেই পানি আমাদের আবাদি জমিগুলোতে ঢুকলে ঐ মাটিও কালো হয়ে যায়। এলাকাবাসী জরুরী ভিত্তিতে খনির মূল ড্রেনের ফুটো বন্ধ করার জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১০ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৩:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit