মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আ.লীগের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আস্ফালন মেনে নেওয়া যায় না: রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ইতালিতে বাঁধনকে প্রকাশ্যে শারীরিকভাবে হেনস্তা, যা বললেন মম সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও স্ত্রীর সম্পদের বিষয়ে এফবিআই প্রতিবেদন দুদকে ডিএনসিসির ওয়াকিটকি কেনাকাটায় দুদকের নজর ‘নারী ও শিল্পীদের প্রতি দিন দিন মানুষ নিষ্ঠুর হয়ে যাচ্ছে’ সাবেক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নতুন টিম এবার উজবেকিস্তানের জালে ৪ গোল বাংলাদেশের, করল অন্য রকম হ্যাটট্রিক তৃতীয়বারের মতো নেত্রকোনা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি দুর্গাপুর থানার শাকের আহমেদ তোষকের নিচে পাইপগান-কার্তুজ, যুবক গ্রেপ্তার “বেকারত্বকে জয় করার স্বপ্ন” পাহাড়ে তরুণদের দক্ষ করে তুলছে সেনাবাহিনী

রিফাত হত্যা: যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত সব আসামি আপিলে খালাস

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২
  • ১৪৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : বেসরকারি চ্যানেল-২৪ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদের ছোট ভাই নুরুল ইসলাম রিফাত হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। দুই যুগেরও বেশি সময় আগে এ মামলা করা হয়। 

বুধবার (১৭ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত শামছু হাবিব বিদ্যুৎ, রুমান কার্জন, মানিক ও রাসেল কবীর।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, এসএম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ।

২০১৪ সালের এ মামলায় এর আগেও একবার রায় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের তৎকালীন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ আসামিদের যাবজ্জীবন দণ্ডদেশ দেন। পরবর্তীতে আসামিরা রিভিউ করলে মামলাটি ফের আপিল শুনানিতে আসে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের ২৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তেজগাঁও কলেজের ছাত্র রিফাতকে ৩৭২ ডিওএইচএস মহাখালী বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় আসামি শামছু হাবিব বিদ্যুৎ। পরদিন মহাখালীর জাহাদ হোটেলের পেছনে রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

এ ঘটনার পরদিন রিফাতের আরেক বড় ভাই মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে ৮ আসামির বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯৮ সালের ৭ জানুয়ারি ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০০৭ সালের ২১ জুন তৎকালীন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত ৮ আসামিকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

মামলার শুরু থেকেই মো. সেলিম খান নামের এক আসামি পলাতক থাকায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ৭ আসামি হাইকোর্টে আপিল করেন।

২০১০ সালের ১০ নভেম্বর বিচারপতি মুসা খালেদ ও বিচারপতি আজিজুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ ৬ আসামির সাজা বহাল ও তাইজুদ্দিন আহমেদ টিটু নামের এক আসামিকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা আপিল করলে ২০১৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের তৎকালীন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ পাঁচজনের সাজা বহাল রাখেন এবং ওমর ফারুক রাসেল নামের এক আসামিকে খালাস দেন।

আসামিদের রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে বুধবার আপিল বিভাগ সব আসামিকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

কিউএনবি/অনিমা/১৭ অগাস্ট ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১২:৫২

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit