ডেস্কনিউজঃ উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো এবং ইসরাইলে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান। দেশটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে সম্ভাব্য হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। গত বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এমন সতর্ক বার্তা জারি করেছে। খবর জেরুজালেম পোস্টের।
ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উত্তপ্ত টেলিফোনালাপের পরেই গোয়েন্দাদের পক্ষ থেকে এমন সতর্ক বার্তা এলো।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের শীর্ষ সামরিক নেতৃবৃন্দ এবং দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজের সঙ্গে চলমান পরিস্থিতি মূল্যায়নের পরেই ইরানের সম্ভাব্য আগাম হামলার বিষয়টি উঠে এসেছে।
গত ৮ই এপ্রিল থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে দেশ দুইটি কোনোভাবেই একটি চুক্তি সম্পন্ন করতে সম্মত হতে পারছে না। কোনো পক্ষই তাদের নিজেদের দাবি থেকে পিছু হটছে না। অন্যদিকে ইরান নিয়ে সামনে কোন পদক্ষেপ নেয়া হবে এনিয়ে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়েছে।
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কূটনৈতিক পথ আর কার্যকর নয় বলে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগেই তেহরান কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। দেশটি আকস্মিক হামলা চালাতে পারে বলে উল্লেখ করেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
এমন প্রেক্ষাপটে মেজর জেনারেল হিদাই জিলবারম্যান এবং ইসরাইলের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় দেশটি বিমান বাহিনী এবং আইডিএফ-এর অপারেশনস ডিরেক্টরেট তাদের প্রস্তুতি আরও উন্নত করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশ দুইটির কর্মকর্তাদের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং ইরানের অস্বাভাবিক কার্যকলাপও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া আইডিএফ চিফ অফ স্টাফ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের অংশ হিসেবে দেশটির সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে নিরাপত্তা ব্রিফিং পরিচালনা করেছেন।
ইরান থেকে আকস্মিক হামলা হলে তার জবাব কীভাবে দেয়া হবেÑ তা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন জামির।
একটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে আসা বিভিন্ন ধরনের হুমকি শনাক্ত, চিহ্নিত এবং প্রতিহত সংক্রান্ত মার্কিন-ইসরাইলি অভিযানের পর একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করা হয়েছে।
এই পর্যালোচনার ফলে আইডিএফ এবং মার্কিন বাহিনীর যৌথ অভিযানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
কিউএনবি/বিপুল/২২.০৫.২০২৬/সন্ধ্যা ৭.৪৫