সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো কাতার, নিখোঁজ ১৮ স্টারমার পদত্যাগ করবেন, দাবি ট্রাম্পের—‘গুঞ্জন’ বলে উড়িয়ে দিল ডাউনিং স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘ঐতিহাসিক’ আলোচনা : যে বার্তা দিলেন জেডি ভ্যান্স শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইরানকে ফের হুমকি ট্রাম্পের ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ইরান বলল সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে ‘জীবনে দু’জন প্রিয় মানুষের একজন আমার স্ত্রী-আরেকজন আসিম মুনির’ ট্রাম্প বললেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার পদত্যাগ করবেন ইরানের সাথে এই আলোচনা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা : জেডি ভ্যান্স শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলকিপিং! ২৩ শটের ঝড় সামলে ইরানের নায়ক যিনি

৯ মাসের যন্ত্রণা নিয়ে রায় শুনতে এসেছি, হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই’

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮০ Time View

নিউজ ডেক্স : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকেই ভিড় জমে শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত বীরযোদ্ধাদের। তারা অপেক্ষা করছিলেন স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায় শোনার জন্য। আবেগ, ক্ষোভ ও দীর্ঘদিনের যন্ত্রণা—সব মিলিয়ে স্থানটি পরিণত হয় এক গভীর প্রতীক্ষার প্রহরে। উত্তরার আহত আন্দোলনকারী মুস্তাঈন বিল্লাহ, যিনি ১৯ জুলাই বিএনএস সেন্টারের সামনে পুলিশের ছোড়া গুলিতে পিঠে এবং যুবলীগ সভাপতির ছোড়া গুলিতে বাম হাতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন—সেই ঘটনার স্মৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে গলা ধরে আসে তার।

তিনি বলেন, ‘আমি ৯ মাস হাসপাতালে কাতরেছি। ব্যথায় ঘুমাতে পারিনি। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বুলেট নিয়ে যে যন্ত্রণা সয়ে বেঁচে ছিলাম—তার একটাই উদ্দেশ্য ছিলো হাসিনার বিচার দেখা। আমরা চাই—যেভাবে আমরা হাসপাতালে আহাজারি করেছি, স্বৈরাচার হাসিনাকে আজ ফাঁসির মঞ্চে তেমনই আহাজারি করতে হোক।’ বিল্লাহ আরও জানান, বাম হাতের ভেতরে এখনো এক ইঞ্চির একটি বুলেট রয়ে গেছে। সেই জায়গায় তিনি কোনো অনুভূতি পান না। তবুও আদালতে উপস্থিত হয়েছেন একটি কারণে— ‘আমরা আজ রায় দেখতে এসেছি।

সারা বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে। এমন ক্ষমতাধর স্বৈরশাসকের বিচার দেখার মুহূর্ত বহুদিনের প্রতীক্ষা।’তার দাবি—সরকার যেন দ্রুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করে। একই ক্ষোভ ঝরে পড়ে আহত জুলাই যোদ্ধা মো. সালমান হোসেনের কণ্ঠেও। তিনি মেরুল বাড্ডা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সামনে পুলিশের ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হন। গুলি তার বা উরুর একপাশ দিয়ে ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়, টুকরো টুকরো হয়ে যায় উরুর হাড়। তিনি বলেন, ‘আমি তিন মাস হাসপাতালের বিছানায় কাতরিয়েছি। ব্যথায় ঘুমাতে পারিনি। আমাদের মতো হাজার হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যার পর স্বৈরশাসক হাসিনা আরাম-আয়েশে জীবন কাটাবে—এটা হতে পারে না।

’তার মতে, ‘যেভাবেই হোক, হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের জড়িত নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করতেই হবে। ’সকাল থেকে ট্রাইব্যুনালের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শহিদ পরিবারের সদস্যরাও একই দাবি জানান। তারা বলেন, জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা গুলি চালিয়েছে, যারা হত্যা করেছে, যারা নিপীড়ন চালিয়েছে—তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, পুরো এলাকা জুড়ে ছিল প্রতীক্ষা, ক্ষোভ আর শোকের মিলিত স্রোত। রায় ঘোষণার অপেক্ষায় সবার চোখে ছিল একটাই দাবি—‘স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচার হোক, রায় কার্যকর হোক।

 

কুইক নিউজ / মোহন / ১৭ নভেম্বর ২০২৫ / দুপুর ৩:০১

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit