শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খালেদা জিয়া কখনো গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি : মির্জা ফখরুল চৌগাছায় এক কৃষক ১০ দিন ধরে নিখোঁজ, সন্ধান পেতে থানায় জিডি “স্বামীর ন্যায্য অধিকার দাবিতে নেত্রকোনায় সংবাদ সম্মেলন” বাবরের না থাকা ভুগিয়েছে পাকিস্তানকে, মন্তব্য সাবেক তারকাদের ধানের শীষে ভোট দেয়ায় ‘মাশুল’ গুনছেন হতদরিদ্ররা! ফুলবাড়ীতে ভিজিএফ চাল বিতরণে বঞ্চনার শিকার বিএনপি সমর্থকরা॥ বীরমুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলী॥ চৌগাছায় মাদক সম্রাট ইসমাইলের ডেরাই সন্ধ্যা নামলেই বসে জুয়ার আসর, প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসীর থানায় অভিযোগ বাংলাদেশ, ভারতসহ ১৬ দেশের বিরুদ্ধে বাণিজ্য তদন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন, আছেন যারা সংসদে বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা

একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় দিশেহারা উপকূলের জেলেরা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : ‍ সাগর-নদী ও সুন্দরবনে মাছ ধরায় একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে উপকূলের জেলেরা। প্রায় সারা বছরই মৌসুম ভিত্তিক থাকছে কোন না কোন অবরোধ। এতো সব অবরোধের মধ্যে মাছ শিকারেরও তেমন একটা সুযোগ নেই জেলেদের। ফলে সংসারও চালাতে পারেন না তারা।

মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রতি বছর জানুয়ারী মাসে ১৫ দিন ও ফেব্রুয়ারি মাসে ১৫ দিন চালানো হয় বিশেষ কম্বিং অপারেশন। অবৈধ জালের অভিযান চলাকালে কোন সহায়তা পান না জেলেরা। 

এছাড়া প্রতি বছর ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন বন্ধ থাকে সমুদ্রে মাছ আহরণ। এ ৫৮ দিন সমুদ্রে সকল প্রজাতির মাছের প্রজনন মৌসুম। এ মৌসুমে কোন জেলেই কোন প্রজাতিরই মাছ শিকার করতে পারেন না সাগরে।

আর প্রতি বছর অক্টোবর মাসে ২২দিন অবরোধ থাকে সাগর ও নদীতে। এ ২২দিন ধরে মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান চালানো হয়ে থাকে। এ ২২ দিনে সাগর-নদীতে সকল প্রকার জাল ফেলা ও মাছ ধরা বন্ধ থাকে জেলেদের। অপরদিকে প্রতি বছর ১ লা নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকে। এ সময়টাতে ঝাটকা ইলিশ সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে।

নিষেধাজ্ঞার এ লম্বা সময়ে কার্ডধারী জেলেরা দুই ধাপে চাল সহায়তা পেয়ে থাকেন। প্রথম দপায় ৮০ কেজি আর দ্বিতীয় দফায় ৮০ কেজি করে চাল পান জেলেরা।   

স্থানীয় জেলে জাহিদ ব্যাপারী, চয়ন বিশ্বাস ও সিরাজ শিকদার বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষেরাও নদীতে নৌকা ও জাল বেয়েছে। আমরাও তাই করছি। কিন্তু এখন তো নদীতে আগের মত মাছ নেই। বন্ধের সময় যে চাল সহায়তা পাই তা দিয়ে আমাদের চলেনা। খুব কষ্ট হয়। 

জাতীয় মৎস্যজীবি সমিতির মোংলা শাখা সভাপতি বিদ্যুৎ মন্ডল বলেন, এ এলাকায় প্রায় ৩০ হাজার জেলে রয়েছে। যাদের মধ্যে ১৫ হাজার জেলে নিবন্ধিত হওয়ার যোগ্য। কিন্তু এখানে নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ৬ হাজারের একটু বেশি। বাকিরা আবেদন দিয়েই যাচ্ছে কিন্তু কার্ড পাচ্ছে না। 

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের দেয়া নিষেধাজ্ঞাকালে জেলেদের চাল সহায়তা দেয়া হয়ে থাকে। তবে বনবিভাগের যে নিষেধাজ্ঞা থাকে সে সময় জেলেদের কোন কিছু দেয়া হয় না। তবে আশা করা যাচ্ছে আগামী বছর থেকে জেলেরা বনবিভাগের কাছ থেকে কিছু সহায়তা পাবেন।

কিউএনবি/অনিমা/ ০১ নভেম্বর ২০২৫,/দুপুর ১২:৩৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit