শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ট্রাম্পের যুদ্ধ থামানোর সিদ্ধান্তে হতবাক নেতানিয়াহু, জানতেন না কিছুই! ‘নিজের চেষ্টায় উন্নত হতে হবে’, চীনের উদাহরণ টানলেন মির্জা ফখরুল ইসলামী ব্যাংকে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি, আতঙ্কিত হবেন না: গভর্নর ৮৯ দিনে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৬৪৩ জনের ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হচ্ছে রবিবার রাজধানীতে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ বাজেটে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে: অর্থমন্ত্রী স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলায় অভিষেককে সিআইডির সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ প্রস্তাবিত বাজেট জাতির বাস্তব চাহিদার প্রতিফলন নয়: মামুনুল হক যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো চুক্তিতেই হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না ইরান

দীনের দায়ীদের জন্য নসিহত

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৬৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : নবুয়াতের একেবারে গোড়ার দিকের কথা। হেরা গুহায় হজরত জিবরাইল (আ.) রসুল (সা.)-এর কাছে অহি নিয়ে এসেছেন কয়েক মাস আগে। প্রথম দিকে অবশ্য একটু বিরতি দিয়েই অহি নাজিল হতো। এ বিরতি রসুলের জন্য ছিল আশঙ্কা আর পেরেশানির। আশঙ্কা হলো নবুয়াতের মহান দায়িত্ব পালনের কোনো রোডম্যাপ এখনো তৈরি হয়নি। অন্যদিকে মানুষকে কীভাবে আল্লাহমুখী করা যায়, পথ দেখানো যায়- এ চিন্তায় তিনি ছিলেন পেরেশান। এমন সময় ঘটল আরেক বিপত্তি। কুরাইশ নেতারা দারুণ নদওয়ায় পরামর্শ সভা ডেকে নবীজিকে উদ্দেশ করে বিভিন্ন কটু কথা বলল। তারা বলল, ‘গাছ ছোট থাকতেই উপড়ে ফেলা হোক। আবদুল্লাহর এতিম ছেলে মুহাম্মদকে বেশি দূর এগোতে দেওয়া যাবে না।’

‘তাহলে কী করণীয়’-একজন জানতে চায়।

‘সমাজে রটিয়ে দাও মুহাম্মদ পাগল হয়ে গেছে।’ আরেকজন বলল।

‘কিন্তু সে তো পাগল না।’

‘তাহলে বল সে গণক।’

‘সে তো গণক না।’

‘বল, মুহাম্মদ জাদুকর।’

‘সে তো জাদুও দেখায় না।’

একে একে সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হয়। হওয়ারই কথা। রসুল (সা.) তো বাইরে থেকে আসা কোনো মানুষ নন। তিনি কুরাইশদেরই সন্তান। তাঁর অনুপম চারিত্রিক মাধুর্যের সাক্ষ্য এতকাল তারাই দিয়েছে। হঠাৎ কীভাবে পরম সত্যবাদী মানুষটিকে তারা পাগল-গণক-জাদুকর বলে! সেদিনের মতো সভা শেষ হয়েছে। কিন্তু সেই সভার কার্যবিবরণী কীভাবে যেন নবীজি জেনে ফেলেন। কদিন হলো দাওয়াতি মিশন শুরু হয়েছে। যে কুরাইশদের সঙ্গে কাজ এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে, তারাই থামিয়ে দিতে চাইছে! মনে মনে নবীজি কিছুটা দমে গেলেন। দূরের মানুষ বিরোধিতা করলে কাছের মানুষজনকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করা যায়। কিন্তু কাছের মানুষ যদি বিরোধিতা করে তখন কোথাও আর যাওয়ার থাকে না। রসুল (সা.) মন খারাপ করে চাদর মুড়ি দিয়ে জড়োসড়ো হয়ে শুয়ে রইলেন।

নবীজির মন খারাপ হয়েছে কাছের মানুষরা তাঁকে দূরে ঠেলে দিয়েছে বলে। আসলে আল্লাহর খেলা অন্যরকম। কাছের মানুষ যাকে দূরে ঠেলে দেয় আল্লাহ তাঁকে বুকে টেনে নেয়। ঘুমিয়ে থাকা সন্তানের কপালে মা যেমন চুমু এঁকে মায়াভরা কণ্ঠে স্কুলে যাওয়ার জন্য ডেকে তুলেন, আল্লাহও নবীজিকে পরম মমতায় ডাক দিলেন, ‘ইয়া আইয়্যুহাল মুজাম্মিল। কুমিল্লায়লা ইল্লা কালিলা।’ হে চাদর জড়ানো নবী! রাত যত গভীর হোক, ভয় পেয়ো না। দাঁড়াও।’ (তাফসিরে মাজহারি, ১০ খণ্ড, ১০২ পৃষ্ঠা)।

লেখক : চেয়ারম্যান, জামালী তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন এবং খতিব, রূপায়ণ টাউন সেন্ট্রাল মসজিদ

কিউএনবি/অনিমা/২৯ ডিসেম্বর ২০২৪,/রাত ১০:৪৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit