জালাল আহমদ, পেকুয়া থেকে : নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা শাফায়েত আজিজ রাজুর সমর্থকরা। এতে আহত হয়েছেন ১০ জন নেতাকর্মী।
জানা গেছে, আজ ২১ মে মঙ্গলবার সকাল থেকেই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। দুপুর ১টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলে। বিকেলে পেকুয়া উপজেলার শিল খালী ইউনিয়নের জারুলবনিয়া কেন্দ্র,পূর্ব মগনামা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র , মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র এবং মটকা ভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ কয়েকটি কেন্দ্রে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ‘ঘোড়া’ প্রতীকের প্রার্থী শাফায়েত আজিজ রাজুর সমর্থকদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী আবুল কাশেম, যুবলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী ও আনারস প্রতীকের প্রার্থী রুমানা আক্তার এবং জেলা আওয়ামী সাবেক শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ,চেয়ারম্যান পদে দোয়াত কলমের প্রার্থী ডক্টর আশরাফুল ইসলাম সজীবের নেতাকর্মীরা শেষ মুহূর্তে বিএনপি’র বহিষ্কৃত নেতা শাফায়েত আজিজ রাজুর সমর্থক এবং সহোদরের উপরের হামলা চালিয়েছে। এতে আহত হয়েছেন ১০ জন নেতাকর্মী।আহতদের পেকুয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নাম্বার ওয়ার্ড মটকা ভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে যুবলীগের নেতা ইয়ার মোহাম্মদ নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শাফায়াত আজিজ রাজুর সহোদর হেদায়েত আজিজ মিঠু ,সাজ্জাদুল করিম, কর্মী আদনান , কর্মী জয়নাল আবেদীন কে মেরে আহত করেছেন। একজন কে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা এবং উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শাফায়েত আজিজ রাজু বলেন,”নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনেই আমার ভাই এবং সমর্থকদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পেকুয়া উপজেলার গণমানুষ ব্যালটের মাধ্যমে তার জবাব দিবেন”।
কিউএনবি/আয়শা/২১ মে ২০২৪,/রাত ৮:১৫