মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জামায়াতের সঙ্গে আসলে আওয়ামী লীগ নেতাদেরও সাতখুন মাফ: রিজভী পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার, উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচারণা চলছে : ইসি আনোয়ারুল ইরান একসঙ্গে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লে কি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ টিকবে? চীনে ‘সামরিক অভ্যুত্থানে’র গুঞ্জন, যা জানা যাচ্ছে প্রতিভা ভাগিয়ে নিল পিএসজি, ক্ষুব্ধ বার্সা সভাপতি মৌসুমীকে বিয়ের গুজব প্রসঙ্গে যা বললেন অভিনেতা ৫২ বছর বয়সেও হৃতিকের এত ফিট থাকার রহস্য কী? মিনেসোটায় প্রাণঘাতী গুলির পর ট্রাম্প-ওয়ালজ ফোনালাপে শান্তির ইঙ্গিত ইউক্রেন যুদ্ধের ইস্যুতে চীনের ভূমিকা নিয়ে ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর নতুন বার্তা মানুষ মোটা অর্থে প্রমোট করতে ডাকে: মিশা সওদাগর

নরসিংদীতে গ্রামে গ্রামে অবৈধ সমিতি ও সুদ ব্যবসায়ীদের ঋনে দিশেহারা মানুষ   

মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ,নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি ।
  • Update Time : রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০২৪
  • ১৬৭ Time View

মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ : সুদূর আফগানিস্তান থেকে ঝোলা কাঁধে আসা কাবুলিওয়ালাদের সুদের টাকা খাটানো এবং তাদের অত্যাচার নিয়ে অসংখ্য কাহিনি প্রচলিত ছিল। কিন্তু সেসব এখন উঠে গেছে এবং আইনত নিষিদ্ধ। তবে এখনো প্রকাশ্যেই চলছে এই সুদের ব্যবসা সুদারুদের চেনেন স্থানীয় সবাই। নামের সঙ্গে তাদের সুদারু বিশেষণ যুক্ত হয়ে আছে। এদের ক্ষেত্রে কোনো আইনের প্রয়োগ নেই। যাঁরা কিছুটা সামর্থ্যবান, তাঁরা হয়তো দ্রুতই টাকা পরিশোধ করে মুক্তি পান। কিন্তু যাঁরা অভাবী, তাঁদের পক্ষে এই চক্র থেকে আর বের হওয়া সম্ভব হয় না। চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে সুদের পরিমাণ, বাড়তে থাকে তাঁদের জীবনের কষ্টও।

এনজিও কর্মীদের বিভিন্ন প্রলোভনে পড়ে সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তির ঋনে জড়ান গ্রামের নিন্ম আয়ের দিনমজুর সাধারণ মানুষগুলো। সংসার খরচের পাশাপাশি সেই কিস্তির ঋন পরিশোধ করতে যখন অপারগ হন তখন জড়িয়ে পড়েন সুদারুদের জালে। নরসিংদী জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুদখোররা অপেক্ষাকৃত নিরীহ ও সম্ভ্রান্ত বংশীয় মানুষদের টার্গেট করেই সুদের জাল তৈরি করে। কৃষক, ব্যবসায়ী, মাছের ব্যবসায়ী, বিদেশে যেতে ইচ্ছুক যুবক, সাধারণ ঠিকাদার, বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ী, সরকারি চাকরিজীবী ও প্রবাসীদের কাছ থেকে ব্যাংক চেক এবং সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে টাকা দেয় তারা। সুদের এই মহাজনদের দালাল আছে জেলা শহর থেকে প্রতিটি মহল্লা গ্রাম পর্যায়ে। এরা সুদখোর মহাজনদের হয়ে সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য এলাকায় এলাকায় কাজ করে বিনিময়ে তারা কিছু কমিশন পায়।

বড়বড় সুদ ব্যবসায়ীদের দেখে গ্রাম ভিত্তিকও বসে অবৈধ সমিতি তারাও চড়া লাভে দেন সুদে টাকা। জানাযায়, এসব সুদ ব্যবসায়ীরা প্রতি মাসে একলাখ টাকায় নেন ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা। এসব ঋনের জালে জড়িয়ে বিক্রি করতে হয় জমিসহ বাড়ি ভিটা। শিক্ষক ফজলুল করিম বলেন নিন্ম আয়ের মানুষ গুলো এনজিও সমিতি এবং সুদারুদের কবলে পড়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। এনজিও ঋন অবৈধ সমিতির পাশাপাশি সুদারুদের দৌরাত্ম ঠেকাতে সরকারি নীতিমালা প্রয়োগ ও জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। 

কিউএনবি/আয়শা/৩১ মার্চ ২০২৪,/বিকাল ৩:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit