বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এইচএসসি সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন যারা নিজের মামাকেই বিয়ে করতে হয়েছিল’, তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন অভিনেত্রী কল্যাণপুরে বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪ যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিন তেহরানে ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দিয়ে বিলবোর্ড অনেক বউ ছেড়ে চলে গেছেন, অর্পিতা এখনো আছেন: প্রসেনজিৎ ক্ষমতা হারানোর মুখে নেতানিয়াহু, বিকল্প সরকার গঠনে বিরোধীদের তৎপরতা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, জয়ের স্বপ্ন ডেমোক্র্যাটদের শরীরের সীমাবদ্ধতা নিয়ে মুখ খুললেন অমিতাভ সৌদির বিমানবন্দর ও ঘাঁটিতে হামলার দাবি হুতিদের

নরসিংদীতে গ্রামে গ্রামে অবৈধ সমিতি ও সুদ ব্যবসায়ীদের ঋনে দিশেহারা মানুষ   

মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ,নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি ।
  • Update Time : রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০২৪
  • ১৭৯ Time View

মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ : সুদূর আফগানিস্তান থেকে ঝোলা কাঁধে আসা কাবুলিওয়ালাদের সুদের টাকা খাটানো এবং তাদের অত্যাচার নিয়ে অসংখ্য কাহিনি প্রচলিত ছিল। কিন্তু সেসব এখন উঠে গেছে এবং আইনত নিষিদ্ধ। তবে এখনো প্রকাশ্যেই চলছে এই সুদের ব্যবসা সুদারুদের চেনেন স্থানীয় সবাই। নামের সঙ্গে তাদের সুদারু বিশেষণ যুক্ত হয়ে আছে। এদের ক্ষেত্রে কোনো আইনের প্রয়োগ নেই। যাঁরা কিছুটা সামর্থ্যবান, তাঁরা হয়তো দ্রুতই টাকা পরিশোধ করে মুক্তি পান। কিন্তু যাঁরা অভাবী, তাঁদের পক্ষে এই চক্র থেকে আর বের হওয়া সম্ভব হয় না। চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে সুদের পরিমাণ, বাড়তে থাকে তাঁদের জীবনের কষ্টও।

এনজিও কর্মীদের বিভিন্ন প্রলোভনে পড়ে সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তির ঋনে জড়ান গ্রামের নিন্ম আয়ের দিনমজুর সাধারণ মানুষগুলো। সংসার খরচের পাশাপাশি সেই কিস্তির ঋন পরিশোধ করতে যখন অপারগ হন তখন জড়িয়ে পড়েন সুদারুদের জালে। নরসিংদী জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুদখোররা অপেক্ষাকৃত নিরীহ ও সম্ভ্রান্ত বংশীয় মানুষদের টার্গেট করেই সুদের জাল তৈরি করে। কৃষক, ব্যবসায়ী, মাছের ব্যবসায়ী, বিদেশে যেতে ইচ্ছুক যুবক, সাধারণ ঠিকাদার, বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ী, সরকারি চাকরিজীবী ও প্রবাসীদের কাছ থেকে ব্যাংক চেক এবং সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে টাকা দেয় তারা। সুদের এই মহাজনদের দালাল আছে জেলা শহর থেকে প্রতিটি মহল্লা গ্রাম পর্যায়ে। এরা সুদখোর মহাজনদের হয়ে সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য এলাকায় এলাকায় কাজ করে বিনিময়ে তারা কিছু কমিশন পায়।

বড়বড় সুদ ব্যবসায়ীদের দেখে গ্রাম ভিত্তিকও বসে অবৈধ সমিতি তারাও চড়া লাভে দেন সুদে টাকা। জানাযায়, এসব সুদ ব্যবসায়ীরা প্রতি মাসে একলাখ টাকায় নেন ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা। এসব ঋনের জালে জড়িয়ে বিক্রি করতে হয় জমিসহ বাড়ি ভিটা। শিক্ষক ফজলুল করিম বলেন নিন্ম আয়ের মানুষ গুলো এনজিও সমিতি এবং সুদারুদের কবলে পড়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। এনজিও ঋন অবৈধ সমিতির পাশাপাশি সুদারুদের দৌরাত্ম ঠেকাতে সরকারি নীতিমালা প্রয়োগ ও জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। 

কিউএনবি/আয়শা/৩১ মার্চ ২০২৪,/বিকাল ৩:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

November 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit