সাধারন জনতা বলেন, আমরা দেখেছি সাইফুল ইসলাম তার ইউনিয়নের অলিগলির রাস্তাঘাট আরসিসি ঢালাই করে দিয়েছেন, যা আগামী ৩০বছরেও এই রাস্তার সংস্কার করা লাগবে না। এছাড়া মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন থেকে শুরু করে সর্বস্তরের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে প্রাণপণ চেষ্টা করে গেছেন। গার্মেন্টস মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে কোন সমস্যা হলেই তা সমাধান করে উভয় পক্ষের মধ্যে সু-সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। এক কথায় সকলের বিপদে-আপদে পাশে থেকে নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন। তাই এই তরুণ সমাজ সেবককে আগামী জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে তাকে নৌকার মনোনয়ন দিলে এবং তিনি অবশ্যই নির্বাচিত হবেন। এক্ষেত্রে সাভার-আশুলিয়ায় উন্নয়নে আমূল-পরিবর্তন হবে। এব্যাপারে আমরা জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, আশুলিয়ার ৫টি ইউনিয়নে প্রায় ৫লাখ ভোট, এই অঞ্চলে আমরা যদি বিএনপির দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুকে হারাতে চাই তাহলে সেরকম একজন প্রার্থী দিতে হবে। এবং ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ লাগবে। অন্যথায় কষ্ট হবে। সেক্ষেত্রে আমি মনে করি সাইফুল চেয়ারম্যান অনেকটা এগিয়ে আছেন। এই মনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে ঢাকা-১৯ আসনে মনোনয়ন দেন, আমি বিশ্বাস করি সাভার-আশুলিয়ার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ও সাধারন ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর আমি যে ধরনের টেকসই উন্নয়ন করেছি এই ধরনের টেকসই উন্নয়ন ঢাকা-১৯ সংসদীয় আসনে পুরো এলাকাতেই করতে পারবো।কারণ, উন্নয়ন কিভাবে করতে হয়, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় সেটা আমি ভালো করে জানি। উন্নয়ন আমি সারা সংসদীয় এলাকাতেই করতে পারবো এটা আমার ধীর বিশ্বাস, তা জনগণ জানে। এজন্য জনগণ আমাকে সাভারের এমপি হিসেবে দেখতে চায়। তাই আমি নৌকার
কিউএনবি/আয়শা/১৩ নভেম্বর ২০২৩,/দুপুর ১:০৮