মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান চলমান, মৃত্যু বেড়ে ১৭১৯ রুশ ড্রোন ও মিসাইল হামলায় কাঁপল ইউক্রেন, নিহত ১০ হরমুজ প্রণালিতে মাইন সরাতে ইরান একাই যথেষ্ট ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’ কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি পালন করলে ইরানও করবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান জার্মানির প্যারাগুয়ে পরীক্ষা শুরু যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, ঘরে ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয় লিসা কুক ইস্যুতে ট্রাম্পের পরাজয়, তবে বেড়েছে প্রশাসনিক ক্ষমতা

ঢাবি : ৬ মাস থেকে ১ বছরের সেশনজটে ২০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৯২ Time View

ডেস্ক নিউজ : করোনাভাইরাস মহামারির কারণে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সেশনজট কমাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ‘লস রিকভারি প্ল্যান’ প্রণয়ন করে। কিন্তু অবহেলার কারণে প্রায় অর্ধশত বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। এতে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত সেশনজটের কবলে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। সেশনজটের কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

সেশনজট কমাতে ২০২১ সালের ১ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ‘লস রিকভারি প্ল্যান’ গ্রহণ করা হয়। এই পরিকল্পনায় ছয় মাসের সেমিস্টার চার মাসে এবং ১২ মাসের বর্ষ আট মাসে শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এই পরিকল্পনার আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলবে। তবে এরই মধ্যে ওই সিদ্ধান্ত না মেনে একাডেমিক কার্যক্রম চালাচ্ছে অনেক বিভাগ ও ইনস্টিটিউট।

একটুও বাস্তবায়ন না করায় এই বিভাগ ও ইনস্টিটিউটগুলোর প্রায় ছয় হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী বর্তমানে এক বছর মেয়াদের সেশনজটে রয়েছেন। শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষকদের অবহেলা, রুটিন দিয়েও তা অনুসরণ না করা, পরীক্ষার পর দুই মাসের সেমিস্টার বিরতি রাখা ইত্যাদি কারণে ‘লস রিকভারি প্ল্যান’ একটুও বাস্তবায়িত হয়নি। এরই মধ্যে এই বিভাগ ও ইনস্টিটিউটগুলো আগের নিয়মে ক্লাস নেওয়া শুরু করেছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।

এদিকে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না করায় অনেক শিক্ষার্থী হতাশা প্রকাশ করেছেন। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তাঁদের অনেক সময় বাঁচত। একদিকে করোনার কারণে তাঁরা পিছিয়েছেন, আবার যেসব বিভাগে কার্যকর হয়েছে, সেগুলোতে তাঁদের ব্যাচমেটদের চেয়ে তাঁরা পিছিয়ে গেছেন। এ সময় তাঁরা ‘লস রিকভারি প্ল্যান’ বাস্তবায়নের দাবি জানান।

শিক্ষার্থীদের হতাশার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শদান দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক মেহজাবিন হক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্বার্থে আমরা সব সময়ই সেশনজট কমানোর চেষ্টা করি। কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন কারণে শিক্ষার্থীদের এ রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। শিক্ষার্থীদের উচিত এ পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে মানসিক শক্তি সঞ্চয় করা। এ জন্য শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহায্য নিতে পারে।’

সার্বিক বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘লস রিকভারি প্ল্যানের আওতায় চলতি বছরের জুন পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চলবে। করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতেই এই পরিকল্পনা চলমান রয়েছে। যে বিভাগ ও ইনস্টিটিউটগুলোতে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে না, সেগুলোতে চিঠি দেওয়া হবে।’

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৫:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit