এবার পুনরায় টুরিস্ট ভিসা চালুর সিদ্ধান্তে এক দিকে যেমন পুনরায় বাংলাদেশ থেকে পর্যটক আসার সংখ্যা বাড়বে, তেমনি উভয় সীমান্ত এলাকার ব্যাবসা, বাণিজ্যের উন্নতি ঘটবে বলে প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।
ভারতের হিলি সীমান্তের ব্যবসায়ী অংশুমান সাহা বলেন, ‘টুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু হওয়ায় আশা করা যাচ্ছে, ব্যাবসার পরিস্থিতির আগের থেকে অনেকটাই ভালো হবে। আগে প্রতিদিন সীমান্ত দিয়ে অন্তত ৭০০ থেকে ৮০০ মানুষ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করত। বিগত দুই বছর ধরে ভারত শুধু বাংলাদেশিদের জন্য মেডিকেল ভিসা দিচ্ছিল। যার ফলে এই সংখ্যাটা কমে এসেছিল মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ এর মধ্যে। আমার প্রত্যাশা, এর ফলে আমাদের জেলার সীমান্ত এলাকায় ব্যাবসা-বাণিজ্য আবার পুনরায় উন্নতি ঘটবে।’
বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলা থেকে ভারতে চিকিৎসা করতে আসা সাদিয়া নামে এক বাংলাদেশি তরুণী বলেন, ‘এটা আমাদের কাছে একটা অনেক ভালো লাগার বিষয়। কারণ, আমরা দীর্ঘ দুই বছর পর টুরিস্ট ভিসা চালু হতে চলেছে। আমি নিজেও মেডিকেল ভিসা নিয়ে চিকিৎসা করার জন্য ভারতে প্রবেশ করেছিলাম। ব্যাঙ্গালোরে চিকিৎসা করিয়ে এবার বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। আশা করি, সামনের বার যখন আসবো, তখন মেডিকেল ভিসা নয়, সরাসরি ট্রাভেল ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে পারব।’
বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রের মালিক দীনবন্ধু হালদার জানান, ‘দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হবে। আর্থিক দিক দিয়ে এই স্থল বন্দরের উন্নতি হবে। কারণ গত দুই বছর ধরে এটা স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল। তাছাড়া ভিসা কম হওয়ার কারণে চিকিৎসা পরিষেবা থেকেও বাংলাদেশিরা বঞ্চিত হচ্ছিল। টুরিস্ট ভিসা চালু হলো, আশা করা হচ্ছে অন্য ভিসাও চালু হবে।’