মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন

বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ৬৫ Time View
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। গতকাল রবিবার এই কার্যক্রম চালুর পর পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত চেকপোস্টে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। প্রতীক্ষিত এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যবসায়ী ও চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে আসা রোগীদের স্বজনেরা। একই ধরনের স্বস্তির আমেজ লক্ষ্য করা গেছে নদীয়া জেলার গেদে স্থল সীমান্তেও।একটা সময় দিনে কয়েক হাজার বাংলাদেশি পর্যটক আসতেন ভারতে। কিন্তু গত দু বছরে শুধু মেডিকেল ভিসা চালু থাকায় সেই সংখ্যাটা কয়েকগুণ কমে যায়। এ অবস্থায় হিলি কিংবা গেদে-দুই সীমান্তের ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত কঠিন সময় পার করেছেন। ব্যবসায় মন্দার কারণে বিকল্প আয়ের পথ বেছে নিতে হয়েছে অনেককে। 

এবার পুনরায় টুরিস্ট ভিসা চালুর সিদ্ধান্তে এক দিকে যেমন পুনরায় বাংলাদেশ থেকে পর্যটক আসার সংখ্যা বাড়বে, তেমনি উভয় সীমান্ত এলাকার ব্যাবসা, বাণিজ্যের উন্নতি ঘটবে বলে প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের। 

ভারতের হিলি সীমান্তের ব্যবসায়ী অংশুমান সাহা বলেন, ‘টুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু হওয়ায় আশা করা যাচ্ছে, ব্যাবসার পরিস্থিতির আগের থেকে অনেকটাই ভালো হবে। আগে প্রতিদিন সীমান্ত দিয়ে অন্তত ৭০০ থেকে ৮০০ মানুষ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করত। বিগত দুই বছর ধরে ভারত শুধু বাংলাদেশিদের জন্য মেডিকেল ভিসা দিচ্ছিল। যার ফলে এই সংখ্যাটা কমে এসেছিল মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ এর মধ্যে। আমার প্রত্যাশা, এর ফলে আমাদের জেলার সীমান্ত এলাকায় ব্যাবসা-বাণিজ্য আবার পুনরায় উন্নতি ঘটবে।’ 

বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলা থেকে ভারতে চিকিৎসা করতে আসা সাদিয়া নামে এক বাংলাদেশি তরুণী বলেন, ‘এটা আমাদের কাছে একটা অনেক ভালো লাগার বিষয়। কারণ, আমরা দীর্ঘ দুই বছর পর টুরিস্ট ভিসা চালু হতে চলেছে। আমি নিজেও মেডিকেল ভিসা নিয়ে চিকিৎসা করার জন্য ভারতে প্রবেশ করেছিলাম। ব্যাঙ্গালোরে চিকিৎসা করিয়ে এবার বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। আশা করি, সামনের বার যখন আসবো, তখন মেডিকেল ভিসা নয়, সরাসরি ট্রাভেল ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে পারব।’

বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রের মালিক দীনবন্ধু হালদার জানান, ‘দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হবে। আর্থিক দিক দিয়ে এই স্থল বন্দরের উন্নতি হবে। কারণ গত দুই বছর ধরে এটা স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল। তাছাড়া ভিসা কম হওয়ার কারণে চিকিৎসা পরিষেবা থেকেও বাংলাদেশিরা বঞ্চিত হচ্ছিল। টুরিস্ট ভিসা চালু হলো, আশা করা হচ্ছে অন্য ভিসাও চালু হবে।’

কিউএনবি/অনিমা/২৯ জুন ২০২৬,/সকাল ১১:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit