রবিবার সকাল ৭টায় মনিয়ন্দ শেখ মার্কেট এলাকা থেকে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে ভ্রমণ কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়, মাঝে সকালের নাস্তার বিরতি ছিল ত্রিশ মিনিট। ভ্রমণকালে সকলেই রাস্তার আশেপাশে থাকা মনমুগ্ধকর সব কিছু উপলব্ধি করেন। অবশেষে দুপুর সাড়ে বারটার দিকে ভ্রমণসঙ্গী দের নিয়ে তিনটি মাইক্রো বাস পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে পৌছায়। প্রথমবারের মতো পদ্মাসেতুর সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে পেরে অনেকেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।
উন্নত বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ঢাকার পোস্তগোলা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়ক, ভাঙ্গা চৌরাস্তা ও তার আশেপাশের মনমুগ্ধকর দৃশ্য সমূহ দেখে যে কারো মনে জাগবে এক অন্যরকম অনুভূতি। সেতু ভ্রমণ শেষে সকলেই পদ্মা নদীটিকে একেবারে কাছ থেকে দেখার জন্য মাওয়া ফেরী ঘাটে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। সেখানে পদ্মার ইলিশ ভাজা দিয়ে দুপুরের খাবার খাওয়া হয়।
এসময় ভ্রমণের আয়োজক ও ব্যবস্থাপক প্রবাসী মোঃ ইসহাক সরকার বলেন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু সকলকে নিয়ে দেখতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত আমার মনে হয় প্রত্যেকেই সেতুটি একবার হলেও দেখা উচিত, এদিকে ভ্রমণের উদ্যোক্তা মনিয়ন্দ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী মোহাম্মদ ইকবাল সরকার বলেন, সেতুটির সৌন্দর্য নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবেনা যে এটা কত সুন্দর।
এছাড়া মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুল আলম চৌধুরী দীপক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী খালেকুজ্জামান আলমগীর ভূইয়া বলেন, মানুষের ব্যাস্ত জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে প্রফুল্ল আনার জন্য এই ধরনের ভ্রমণের অনেক গুরুত্ব রয়েছে, পদ্মা সেতু ভ্রমণের সুন্দর আয়োজন করার জন্য আখাউড়া উপজেলা প্রবাসী আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ ইসহাক সরকারকে ধন্যবাদ জানান তারা।
কিউএনবি/অনিমা/২৯ অগাস্ট ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:৩২