আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব পরিকল্পনায় বিশেষ অভিযান বাহিনী ও নিয়মিত পদাতিক সেনাদের অংশগ্রহণ থাকতে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এসব পরিকল্পনার অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনও অনিশ্চিত বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তারা।
খার্গ দ্বীপে অবস্থানরত সেনাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই হবে কঠিন কাজ। দ্বীপটি দখল করা কঠিন নয়, কিন্তু দখলের পর সেখানে অবস্থানরত সেনাদের রক্ষা করাই আসল চ্যালেঞ্জ। সম্প্রতি খার্গ দ্বীপ দখল নিয়ে জল্পনা বেড়েছে, যা ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চলতি মাসের শুরুর দিকে দ্বীপটিতে মার্কিন বিমান হামলাও চালানো হয় এবং ট্রাম্প এটিকে তেহরানের ‘মুকুটের রত্ন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বারবার ইরানকে আহ্বান জানিয়ে আসছেন হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেয়ার, যা উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস রফতানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ।
কিউএনবি/আয়শা/২৯ মার্চ ২০২৬,/রাত ৯:১২