ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন চাকরী প্রার্থীরা । শুক্রবার রাজধানীর পল্টন মোড়ের একটি রেস্টুরেন্টে বয়সসীমা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয়ে উন্মুক্ত সেমিনার ও ইফতার প্রোগ্রামে চাকরি প্রার্থীরা এই দাবি জানান ।
প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আল-আমীন রাজু,ইমতিয়াজ হোসেন, ইউসুফ জামিল, আজিম পাইক, জালাল আহমদ, মোহাম্মদ মোস্তফা আল ইহযায প্রমুখ।চাকরি প্রার্থীরা জানান,”বাংলাদেশে সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ বছর করার দাবি বহুদিন ধরে আলোচিত। নানা কারণে অনেকেরই শিক্ষাজীবন শেষ হতে দেরি হয়।কারো কারো শেষ করতে করতে ২৬–২৮ বছর হয়ে যায়। এরপর প্রস্তুতির জন্য সময় খুব কম থাকে।
তাই বয়সসীমা ৩৫ হলে প্রার্থীরা বাস্তবিকভাবে প্রস্তুতির সুযোগ পায়।অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে দীর্ঘদিন সেশন জট ছিল। ফলে শিক্ষার্থীদের ২–৩ বছর অতিরিক্ত সময় লাগত। তাই বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি যৌক্তিক বলে মনে করি।”তারা আরো বলেন,অনেক দেশে সরকারি চাকরির বয়সসীমা তুলনামূলক বেশি। তাই ৩২ বছরকে অনেকেই কম মনে করেন।
COVID-19 pandemic সময় ২–৩ বছর অনেক নিয়োগ বন্ধ ছিল বা ধীরগতিতে হয়েছে। এতে অনেক চাকরিপ্রার্থী বয়স হারিয়েছেন। রাজনৈতিক কারণে অনেকেই পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি ।তাই বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা উচিত ।
কিউএনবি/আয়শা/১৪ মার্চ ২০২৬,/রাত ৮:২৩