শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এবার লোহিত সাগর বন্ধে হুথিদের প্রস্তুতির নির্দেশ দিল ইরান: রয়টার্স সক্ষমতা যাচাইয়ে মার্কিন সেনাদের টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করলেন হেগসেথ ট্রাম্পের মুখ থাকছে নতুন ১ ডলারের কয়েনে, কেন উঠছে আইনি প্রশ্ন মেডিকেল অক্সিজেন রোডম্যাপ প্রণয়নে ২৭ সদস্যের কমিটি গঠন বাড়ির ছাদ ফুঁড়ে পড়া উল্কাপিণ্ডের বিজ্ঞানীরা পেলেন ভিনগ্রহের প্রাণের উপাদান চ্যাম্পিয়ন হলে কত টাকা পাবে আর্জেন্টিনা? টি-টোয়েন্টিতে যে রেকর্ড প্রথমবার দেখল বিশ্ব ফুলবাড়ীতে জুলাই শহীদ দিবস পালনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত॥ ফুলবাড়ীতে ১ লক্ষ টাকার কারেন্টজাল ধ্বংস। প্রতিবন্ধী শিশু ও পরিবারের মাঝে গাছের চারা বিতরণ।

দুর্গাপুরে আমন ফসলের মাঠ ফেটে চৌচির দুশ্চিন্তায় কৃষক

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২
  • ২৮৯ Time View

দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি : সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশের ন্যায় নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলাতে স্বরণকালের ভয়াবহ বন্যা দেখা দিলেও বর্তমানে চলছে তীব্র খরা ও অনাবৃষ্টি। খাল বিল ও নদীর পানি শুকিয়ে, ফসলের জমির মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। পানির অভাবে খাঁ খাঁ করছে ফসলের মাঠ। পানির কারণে কৃষকের আমন ধান রোপণের সময় বিলম্ব হওয়ায় অনেকে বাধ্য হয়ে সেচ পাম্প দিয়ে আমন ধান রোপনের প্রস্ততি নিচ্ছেন।

বছরের অন্যান্য সময় ঠিক এই মুহূর্তে মাঠ-ঘাট বৃষ্টির পানিতে টইটম্বুর থাকে। কৃষক আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সাধারণত আষাঢ় মাসের ১৫ তারিখের পর থেকে দুর্গাপুর অঞ্চলের কৃষকরা আমন রোপান করতে ব্যস্ত সময় পার করেন। কিন্তু এবছর এই এলাকায় তেমন বৃষ্টিপাত না থাকায় প্রচন্ড তাপদাহ আর তীব্র খরা আর অনাবৃষ্টিতে একদিকে জনজীবন যেমন অতিষ্ঠ তেমনি হুমকির মুখে পড়েছে জীব-বৈচিত্র সহ ফসলের চাষাবাদ। বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক জমিতে সম্পূরক সেচ দিয়ে চারা বাঁচিয়ে রাখছেন কৃষক। এতে ধানের ফলন নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

এ নিয়ে শনিবার সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, দুর্গাপুর উপজেলায় ৩৪, ব্রি-৪৯, সম্পা কাটারী, ব্রি ৯৩, ৯৪, রঞ্জিত এবং ধানিগোল্ড হাইব্রিড জাতের টিয়া, এজেড ৭০০৬ জাতের রোপা আমন ধান চাষাবাদ হয়ে থাকে। এবছর এ উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভায় মোট ১৬ হাজার ২৪৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বীজতলা রোপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ইতিমধ্যে পুরণ হয়েছে। প্রতি বছর আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে বৃষ্টির পানিতে আমন ধান রোপণ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেন কৃষক। কিন্তু এবার মাস ব্যাপী অনাবৃষ্টির কারণে ফসলের মাঠে পানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এতে পানির অভাবে অনেক কৃষক ধান রোপণ করতে পারছেন না বিধায় দুঃচিন্তায় রয়েছেন তারা। গেল বন্যার পর এই ফসলের উপরই নির্ভর ছিলো তাদের।

উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের কৃষক হযরত আলী এ প্রতিনিধি কে বলেন, এবছর শ্রাবন মাস জুড়েই চলছে স্বরণ কালের খরা। ১৫ আষাঢ় থেকে আমন ধান রোপন করা শুরু হলেও বৃষ্টির পানির অভাবে জমিতে ধান রোপন করতে পারছি না। একইকথা বলেন পৌরসভা এলাকার কৃষক আব্দুল হাকিম। তিনি ১৩ বিঘা জমিতে আমন চাষ করবেন। শ্রাবন মাস শেষ হলেও এখনও বৃষ্টির দেখা নেই। তাই তিনি শ্যালো মেশিন প্রস্তত করছেন। আগামী সপ্তাহ থেকে আমন ধানের জমি প্রস্তত এবং রোপন শুরু করবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান এ প্রতিনিধি কে বলেন, সাধারণত আষাঢ় মাসের ২০ থেকে শুরু করে শ্রাবণ মাসের শেষ পর্যন্ত রোপা আমন চাষাবাদ করা হয়। অনাবৃষ্টি ও অতিরিক্ত তাপদাহ যদি আরো সপ্তাহ খানেক চলে, তাহলে রোপা আমন চাষ ব্যপক ক্ষতির সন্মুখিন হতে পারে। মোটা ধানের জন্য একটু অসুবিধা হলেও চিকন জাতের ধানের জন্য তেমন ক্ষতি হবেনা। দুই এক সপ্তাহের মধ্যে যদি বৃষ্টিপাত না হয়, তাহলে গভীর নলকূপ চালু করে ফসল ঘরে তুলতে হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০ অগাস্ট ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit