রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নতুন কোনো আগ্রাসনের জবাব হবে ভয়াবহ: আইআরজিসি প্রধান রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার বিচার শুরু ১ জুন হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে ভারত, আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিদের জন্য পশ্চিমবঙ্গে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ ঈদুল আজহার নামাজ যেখানে পড়বেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা ঈদকে ঘিরে বাগেরহাটে চুইঝালের চাহিদা আকাশচুম্বি, বেড়েছে দাম রামিসা হত্যা : সোহেল ও স্বপ্নার বিচার শুরু ১ জুন বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তির দিকে এগোচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ খুলতে রাজি ইরান: নিউইয়র্ক টাইমস

চৌগাছায় স্বরূপদাহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২
  • ২৯১ Time View

এম এ রহিম, চৌগাছা (যশোর) : যশোরের চৌগাছায় স্বরূপদাহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মানুষের নানাভাবে হয়রানি ও অনৈতিকভাবে বিপুল অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৪ মে মঙ্গলবার ইউনিয়নের বাঘারদাড়ী গ্রামের সোহরাব হোসেন শ্রাবণ এ বিষয়ে চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তিনি পার্শ্ববর্তী আন্দারকোটা ইঞ্জু মিয়ার ছেলে মফিজুর রহমানের নিকট থেকে কিছু জমি কিনতে চান। ওই জমির খাজনা পরিশোধ না থাকায় জমির মালিক খাজনা দেওয়ার জন্য স্বরুপদাহ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের সাথে যোগাযোগ করেন। ৭৫ বছর বয়সী মফিজুর রহমান প্রায় তিন মাস ধরে খাজনা পরিশোধের জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ধরনা দিলেও তিনি খাজনা নেননি তিনি। এরপর, সোহরাব হোসেন নিজে গত রমজান মাসসহ খাজনা দিতে মোট তিনবার ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার অফিসে যান। সে সময়, জাহাঙ্গীর আলম সোহরাব হোসেনকে বলেন, দুটি দাখিলার জন্য ৯ হাজার টাকা দিতে হবে।

সোহরাব হোসেন লিখিত অভিযোগে বলেন, কোন উপায় না পেয়ে একপর্যায়ে গত রোববার বিকেল ৩ টার দিকে আমি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে তিনি আমার নিকট জানতে চান, “কত টাকা এনেছেন”। আমি বলি কত দিতে হবে। তিনি বলেন, আগেই তো বলে দিয়েছি। আপনার কি মনে নেই ? ৯ হাজার টাকা বলে দিয়েছিলাম। একপর্যায়ে আমার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা আদায় করে তিনি দুটি দাখিলা প্রদান করেন। ৫ হাজার টাকা নিলেও তিনি আমাকে একটি দাখিলার ৬৬৬ টাকা এবং অন্য দাখিলার ১৮২ টাকার অনলাইন দাখিলা সনদ প্রদান করেন। আমি জাহাঙ্গীর আলমের আলমের এ ধরণের অর্থ বাণিজ্য ও অপকর্মের বিচারসহ আমার অতিরিক্ত নেওয়া টাকা ফেরত পাওয়ার দাবি জানাচ্ছি। সোহরাব হোসেন আরও বলেন, একই সময়ে অন্য এক ব্যক্তির নিকট থেকে এক/দেড় হাজার টাকার খাজনা দেওয়ার জন্য ২৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।

ইউনিয়নের বাঘারদাড়ী গ্রামের কৃষক অহেদ আলী বলেন, এই নায়েব টাকা ছাড়া কিছু চেনে না। তার কাছে জমির খাজনা দিতে গেলেই বলেন “কত টাকা এনেছেন” বলে জানতে চাই । এই নায়েব যোগদানের পরথেকেই এ অফিসে টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না। এ ব্যাপারে নায়েব জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এমন ঘটনা তার স্মরণে নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মর্তার দপ্তরে লিখিত অভিযোগের বিষয়ে তিনি অনেকক্ষণ চুপ থেকে বলেন, এবিষয়ে আমার জানা নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা বলেন, তার বিরুদ্ধে এ রকম আরও অভিযোগ রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তাকে ডেকে বিষয়টি জানতে চাওয়া হবে। প্রয়োজনে অভিযোগকারীর মুখোমুখি করেঅভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৪.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/রাত ১০:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit