বিনোদন ডেস্ক : নব্বই দশকে তুমুল জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছিলেন আশা ভোসলে। বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া তাকে ‘শৈশবের সংগীতসঙ্গী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি ছিলেন আমাদের সাউন্ডট্র্যাক।
সুরকার এ আর রহমান শোক প্রকাশ করে বলেন, আশা ভোসলে ছিলেন ভারতীয় সংগীতের ইতিহাসে এক অনন্য প্রতিভা। তার ভাষায়— তার কণ্ঠ ছিল অসাধারণভাবে বহুমুখী, এবং তিনি ভারতীয় সংগীতকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রেখেছেন।
নতুন প্রজন্মের গায়িকা হার্ষদীপ কৌর তাকে সংগীতের প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যা দিয়ে লেখেন, ভালোবাসার কণ্ঠ আর আমাদের মাঝে নেই… তিনি ছিলেন সংগীতের একটি প্রতিষ্ঠান।
গায়িকা আলকা ইয়াগনিক নারী প্লেব্যাক গায়িকাদের জন্য তার অবদান তুলে ধরে বলেন, তিনি নারী প্লেব্যাক শিল্পীদের জন্য স্বাধীনতার প্রতীক ছিলেন।
গায়ক উদিত নারায়ণ তাকে প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হিসেবে স্মরণ করেন। সুরকার ও গায়ক বিশাল দাদলানি তার মৃত্যুতে একে ‘যুগের অবসান’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার মতো কণ্ঠ আর কখনো পাওয়া যাবে না।
রাজনৈতিক অঙ্গনে মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে তাকে ‘অমর কণ্ঠ’ ও ‘একটি মহান যুগের স্তম্ভ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেন, তার মতো বহুমুখী শিল্পী আর কখনো আসবেন না। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী অশীষ শেলার এই মৃত্যুকে সংগীত জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে অভিহিত করেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্ত ও শিল্পীরা একটি যুগের অবসান, কিংবদন্তি ও অমর কণ্ঠ শব্দগুলো ব্যবহার করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। আশা ভোসলের মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগীতের একটি সোনালি অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কিউএনবি/আয়শা/১২ এপ্রিল ২০২৬,/বিকাল ৩:৩৩