সিরিয়ার বিপক্ষে ৪-০ গোলে হেরে যাত্রা শুরু করেছিল মারুফুল হকের দল। পরের ম্যাচে গুয়ামের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে তারা। তৃতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ভিয়েতনামের বিপক্ষে ৪-১ গোলের হারে মূল পর্বে খেলার আশা শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের।
ভুটানের বিপক্ষে শুরুতেই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। চতুর্থ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ক্রসের মতো করে বল বাড়ান আসাদুল মোল্লা। বল সরাসরি পোস্টের দিকে গেলে গোলকিপার তা ফেরাতে না পারায় বল সরাসরি জালে জড়ায়।
৩২ মিনিটে ডিফেন্ডার পারভেজ আহমেদ অস্বস্তি বোধ করায় তাকে তুলে নেন কোচ। তার বদলি গোলাম রাব্বানীকে মাঠে নামান মারুফুল হক। ৩৫ মিনিটে সতীর্থের থ্রু পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জিগমে নামগাইয়েলের শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।
৭০ মিনিটে দারুণ প্লেসিং শটে বল জালে জড়ান পিয়াস আহমেদ নোভা। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। পরের মিনিটেই আত্মঘাতী গোল খেয়ে বসে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের লম্বা পাস হেডে ক্লিয়ার করতে গিয়ে তা নিজেদের জালেই জড়ান আসাদুল ইসলাম। এই গোলে সমতায় ফেরে ভুটান।
৮৬ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় মইনুল ইসলামের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ। মাঝমাঠে আসাদুল মোল্লার পাস পেয়ে খানিকটা এগিয়ে গিয়ে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের শটে বল জালে জড়ান বদলি খেলোয়াড় মাইনুল। এই গোলে জয়ের আনন্দ নিয়ে বাছাই শেষ করলো বাংলাদেশ।