ডেস্ক নিউজ : বুধবার (১০ জুলাই) বেইজিংয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, চীনের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এ নিয়ে মিয়ানমারের জান্তা সরকার এবং প্রয়োজনে আরাকান আর্মির সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।’
চীনের সঙ্গে যে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, তা কমানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলোচনা করেছেন। এক্ষেত্রে লি কিয়াংও বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য আমদানির কথা বলেছেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তারা আম আমদানির কথা জানিয়েছেন। এছাড়া কাঁঠাল ও পেয়ারা- এ দুটি ফলও আমদানির বিষয়ে তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছেন।’
চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, ওষুধ, সিরামিকসহ অন্যান্য পণ্যও যাতে চীন আমদানি করে, তার ওপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুত্বারোপ করেছেন। চীন সরকারও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে আরও অধিক পরিমাণ পণ্য আমদানি করা হবে। লি কিয়াং বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে স্কলারশিপ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, ‘বৈঠকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং মানবতার কল্যাণে দুদেশ একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রী।’
আগামী বছর বাংলাদেশ ও চীনের কুটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলে জানান হাছান মাহমুদ।
কিউএনবি/আয়শা/১০ জুলাই ২০২৪,/রাত ৮:৫০