স্টাফ রিপোর্টার,মনিরামপুর(যশোর) : যশোরের মনিরামপুরে সাংসারিক কলহকে কেন্দ্র করে গভীর রাতে ধারালো হাসুয়া দিয়ে তৃতীয় স্ত্রী পারভীনা খাতুনের গলাকেটে হত্যা চেষ্টার পর তাকে উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনদিন পর শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। আর এ মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মেহেদী মাসুদ।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, উপজেলার বালিধা গ্রামের মৃত হাতেম আলীর ছেলে ভ্যান চালক উজির আলী(৫৬) তৃতীয় স্ত্রী পারভীনা খাতুনকে নিয়ে নেহালপুর বাজারের পাশে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সংসার করে আসছিলেন। কিন্তু সাংসারিক কলহ নিয়ে তাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হত। বুধবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ঘরের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ধারালো হাসুয়া দিয়ে উজির আলী পারভীনার গলাকেটে হত্যা চেষ্টা করে।
এ সময় আশপাশের লোকজন টেরে পেয়ে এগিয়ে আসলে উজির আলী পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় পারভীনাকে উদ্ধারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে পারভীনার মৃত্যু হয়।
এ দিকে রাতে পারভীনার গলাকেটে পালিয়ে যাবার পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশে সজিনা গাছ থেকে পুলিশ উজির আলীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। উজির আলীর বড় স্ত্রীর ছেলে তরিকুল ইসলাম জানান,সাংসারিক কলহের কারনে অনুশোচনায় তার পিতা আত্মহত্যা করে। ওসি মেহেদী মাসুদ জানান, হত্যাচেষ্টার ঘটনায় পারভীনার ভাই আসাদ গাজী বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। এখন সেটি হত্যা মামলায় রুপান্তরিত হবে।
কিউএনবি/আয়শা/২৯ জুন ২০২৪,/রাত ১০:০২